দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election)। তাই সময় নষ্ট না করে সব দলই নিজেদের মতো করে প্রচার শুরু করে দিয়েছে। বুধবার নিজের পাড়া ১৭নম্বর ওয়ার্ডে দেওয়াল লিখে প্রচারে হাত লাগিয়ে দিলেন মেয়র গৌতম দেব। তবে কি সত্য়িই শিলিগুড়ি থেকে লড়ছেন তিনি? তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগে গৌতম দেবের (Goutam Deb) দেওয়াল লিখন নিয়ে স্বাভাবিকভাবই উঠছে প্রশ্ন।
আরও পড়ুন:
গৌতম দেব বলেন, “আমি ফলাফলের কথা চিন্তা করি না। জীবনে ১১ টি নির্বাচনে লড়াই করেছি। তাতে একটিতে পরাজিত হয়েছি। তবে এবার দল আমাকে প্রার্থী করলে আমি মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে বিধানসভায় যেতে চাই।”
গত ২০২১ নির্বাচনে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা আসনে পরাজিত হন গৌতম দেব। পর এবার বিধানসভা নির্বাচনে গৌতম দেব (Goutam Deb) কোন আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছিল। তবে শেষমেষ কোনও রাখঢাক না রেখেই শিলিগুড়ি সংলগ্ন ফুলবাড়ি ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের পশ্চিম ধনতলায় ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট রুরাল ডেভেলপমেন্ট অথরিটির একটি সরকারি অনুষ্ঠানে তিনি ঘোষণা করে দিলেন, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি থেকে নয়, শিলিগুড়ি থেকেই লড়ছেন তিনি। তিনি বলেন, “আমি আর ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি থেকে দাঁড়াচ্ছি না। প্রকাশ্যে বলে গেলাম। আমি আমার জন্মভূমি শিলিগুড়িতে ফিরে যাচ্ছি। ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে আমি যা কাজ করেছি, আমাদের সরকার যা কাজ করেছে, তা এর আগে হয়নি। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনে আমাদের দল আর তারপরে বিধানসভা নির্বাচনে আমি পরাজিত হয়েছি। এখানে কাজ করবে তৃণমূল সরকার আর ভোটে জয় পাবে বিজেপি। এটা হতে পারে না। এমন একজন সাংসদ আর বিধায়ককে জয়ী করেছে এখানকার মানুষ, যারা কোনও কাজ করে না।” সত্যিই কি শিলিগুড়ির প্রার্থী হবেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে তার আগেই দেওয়াল লিখন শুরু করেছেন গৌতম দেব।
বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে গৌতম দেব বলেন, “আমি ফলাফলের কথা চিন্তা করি না। জীবনে ১১ টি নির্বাচনে লড়াই করেছি। তাতে একটিতে পরাজিত হয়েছি। তবে এবার দল আমাকে প্রার্থী করলে আমি মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে বিধানসভায় যেতে চাই। আমাদের দল সারাবছর মানুষের পাশে থাকে। শিলিগুড়ি পুরনিগমে যা কাজ হয়েছে তার পূর্ণাঙ্গ রূপ ২০২৭ সালে মানুষ বুঝতে পারবে।” প্রসঙ্গত, গত বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election) ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি আসনে বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়ের কাছে প্রায় ৩৫ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত হন গৌতম দেব। পরাজয়ের পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) গৌতম দেবকে শিলিগুড়ি পুরনিগমের প্রশাসক বোর্ডের চেয়ারম্যান করেন। তারপর পুরনির্বাচনে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের থেকে জয়ী হন তিনি। বামেদের দখলে থাকা শিলিগুড়ি পুরনিগম ছিনিয়ে আনার জন্য পরবর্তীতে দল তাকে মেয়র ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ বধূ
-
‘খুব বাঁচা বেঁচেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ’, রচনার সুরবদলের পরই কেন একথা বললেন মনোরঞ্জন?
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! ১০৫০ দিন পর সিরিজ হার ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের