West Bengal Assembly Election

পুরুলিয়ায় সন্ধ্যারানি টুডুর সমর্থনে প্রচারে আসছেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন

শনিবার জঙ্গলমহল পুরুলিয়া থেকেই বাংলায় তাঁর নির্বাচনী প্রচার শুরু করছেন হেমন্ত সোরেন। শনিবার ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পরপর তিনটি সভা করবেন বান্দোয়ান, মানবাজার ও কাশীপুর বিধানসভায়। হেমন্ত সোরেনের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী কল্পনা সোরেনও আসতে পারেন বাংলায়।

Advertisement
সুমিত বিশ্বাস
সুমিত বিশ্বাস

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ০০:১৫

options
link
পুরুলিয়ায় সন্ধ্যারানি টুডুর সমর্থনে প্রচারে আসছেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন
বঙ্গে আসছেন হেমন্ত সোরেন, পুরুলিয়ায় ৩ প্রার্থীর সমর্থনে জনসভা।

শনিবার হাইভোল্টেজ নির্বাচনী প্রচার দেখবে জঙ্গলমহল। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে এবার বঙ্গে প্রচারে আসছেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। শনিবার জঙ্গলমহল পুরুলিয়া থেকেই বাংলায় তাঁর নির্বাচনী প্রচার শুরু করছেন তিনি। পুরুলিয়ায় ৩ তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে তিনটি জনসভা।

Advertisement

শনিবার ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পরপর তিনটি সভা করবেন বান্দোয়ান, মানবাজার ও কাশীপুর বিধানসভায়। বান্দোয়ানে দলীয় প্রার্থী তথা পুরুলিয়া জেলা তৃণমূলের সভাপতি রাজীবলোচন সোরেন, মানবাজারে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন বিভাগের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত বিদায়ী রাষ্ট্রমন্ত্রী সন্ধ্যারানি টুডু ও কাশীপুরে তৃণমূল প্রার্থী তথা রাজ্য তৃণমূলের সম্পাদক সৌমেন বেলথরিয়ার সমর্থনে জনসভা করবেন হেমন্ত সোরেন। পুরুলিয়া জেলা তৃণমূল সূত্রে খবর, বর্তমানে ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চার সুপ্রিমো তথা ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী কল্পনা সোরেনও আসতে পারেন বাংলায়।

Advertisement

প্রথম জনসভা বান্দোয়ান বিধানসভার মানবাজার ২ নম্বর ব্লকের আঁকরোতে। দ্বিতীয় সভা রয়েছে মানবাজার বিধানসভার পুঞ্চা ব্লকের লাখরার বদড়া ফুটবল ময়দানে। তৃতীয় সভা হবে কাশিপুর ব্লকের সিমলা- ধানাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ধানাড়া ফুটবল ময়দানে। এই তিনটি বিধানসভাতেই আদিবাসী ভোটার রয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি আদিবাসী ভোটার রয়েছে বান্দোয়ান ও মানবাজার বিধানসভায়। এই দুটি বিধানসভা তফসিলি উপজাতির জন্য সংরক্ষিত। বান্দোয়ান, মানবাজার ও কাশীপুরের তিন আদিবাসী তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনেও প্রচারে নামবেন হেমন্ত। বান্দোয়ান, মানবাজার ও কাশীপুরের প্রার্থীরা জানান, “হেমন্ত সোরেনের নির্বাচনী জনসভাকে ঘিরে আমরা ভীষণ আপ্লুত। প্রস্তুতি একেবারে চূড়ান্ত।”

Advertisement

প্রসঙ্গত, ঝাড়খন্ডে অতীতে বিজেপি ‘আচ্ছে দিন’-র স্বপ্ন দেখিয়ে সেখানকার আদিবাসী সমাজের স্বপ্ন পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। পদ্মফুলের বদলে আঞ্চলিক দল ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চা ক্ষমতায় আসে সে রাজ্যে। বিজেপির সেই ‘জুমলাবাজি’ বাংলার আদিবাসী মানুষজনদের কাছে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর মাধ্যমে তুলে ধরাকে তৃণমূলের রাজনৈতিক কৌশল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.