দিন কয়েক আগে পর্যন্ত পাঞ্জাবের বিজেপি নেতারা বলছিলেন, রাজ্যের ১১৭ আসনে একাই লড়বে বিজেপি। বাংলার পর পাঞ্জাব দখলই যে পাখির চোখ, সেটা স্পষ্ট করে দেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারাও। কিন্তু জেন জি বিক্ষোভের পর অবস্থানে বদলে এসেছে গেরুয়া শিবিরের। একা লড়াইয়ের পরিকল্পনা থেকে সরে এসে পুরনো সঙ্গী অকালি দলের হাত ধরতে চলেছে বিজেপি। অন্তত সূত্র তেমনটাই বলছে। তবে সেই জোটের পথে একাধিক বাধাও রয়েছে। মূল বাধার জায়গা হল আসন বণ্টন।
এমনিতে পাঞ্জাবে অকালি-বিজেপির জোট (BJP-SAD Alliance) পুরনো। ১৯৯৬ সাল থেকে এনডিএ-র শরিক ছিল আকালি দল। পাঞ্জাবে তো বটেই দিল্লিতে এনডিএ-র সরকার গঠনে মুখ্য ভূমিকা ছিল দলটির। তবে বিজেপি ও অকালি দলের সম্পর্কে দাঁড়ি পড়ে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে কৃষক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে। ২০২২ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আলাদাভাবে নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমে শোচনীয় ভাবে পরাস্ত হয় দুই দলই। এবার ফের এক ছাতার তলায় আসার পরিকল্পনা চলছে। ইতিমধ্যেই অকালি প্রধান সুখবীর সিং বাদলের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদির।
আরও পড়ুন:
কিন্তু ওই জোট গঠনে মূল সমস্যা আসনরফায়। কারণ পাঞ্জাবে বিজেপির পরিকল্পনার প্রথম ভাগ হচ্ছে, অকালি দলের ছায়া থেকে বেরিয়ে আসা। অকালিদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে লড়লেও আসনরফায় শুধু অকালিদের কথা শুনতে নারাজ গেরুয়া শিবির। সূত্রের খবর, জোট আলোচনার শুরুতে জুনিয়র পার্টনার হতেও রাজি ছিল না বিজেপি। পরে অকালিদের সঙ্গে আলোচনার পর গেরুয়া শিবির জুনিয়র পার্টনার হতে রাজি হলেও আগের তুলনায় অনেক বেশি আসন চাইছে।
শেষবার ২০১৭ সালে একসঙ্গে লড়েছে অকালি দল বিজেপি। সেবার ১১৭ আসনের মধ্যে মাত্র ২৩টি আসনে পদ্মপ্রতীকে লড়েছিলেন বিজেপি প্রার্থীরা। অকালি দল লড়েছিল ৯৪ আসনে। সেই সূত্রে কোনওভাবেই লড়াই সম্ভব নয়, সেটা স্পষ্ট করে দিয়েছে বিজেপি। তাঁরা অন্তত ৫০-৫৫ আসনে লড়তে চায়। আবার অকালি দলের বক্তব্য, বিজেপির হাতে ৪০-৫০টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার মতো যোগ্য প্রার্থীই নেই। অকালিরা মানছে যে আগের তুলনায় বিজেপির শক্তি বেড়েছে। কিন্তু ৫০ আসনের দাবি পূরণ সম্ভব নয়। সব মিলিয়ে সমীকরণ এখন বেশ জটিল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘সবার জন্য শিক্ষা চাই দেশবিরোধী স্লোগান?’, যাদবপুরের দেওয়ালে চুনকাম নিয়ে প্রশ্ন শতরূপদের
-
পুজোর আগে দক্ষিণ দিনাজপুর সফরে মুখ্যমন্ত্রী, গতি পাবে বিমানবন্দরের কাজ! নজরে একাধিক প্রকল্পও
-
৩ মাসের শিশুকে ‘মেয়াদোত্তীর্ণ’ ভ্যাকসিন, মৃত্যু! হুলস্থুল হরিণঘাটায়
-
মহাপ্রলয় গিলে খেয়েছে গোটা গ্রাম, কীভাবে ১৬৪৩ পড়ুয়ার প্রাণ বাঁচালেন এক শিক্ষক?
-
ড্রয়ের অঙ্ক নয়, কাস্টমসকে উড়িয়েই কলকাতা লিগের সুপার সিক্সে ইস্টবেঙ্গল