Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
Bihar government

ব্যর্থ হলেও মার্কশিটে লেখা থাকবে না ‘ফেল’ শব্দটি, পড়ুয়াদের মনোবল বাড়াতে নয়া ভাবনা বিহার সরকারের

রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, কোনও পড়ুয়ার ব্যর্থতার পিছনে নানা কারণ থাকতে পারে। তাই পরীক্ষায় পাস করতে না পারলেই সেই পড়ুয়ার প্রতিভা বা যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা ঠিক নয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২৬, ১২:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২৬, ১২:৩২

options
link
ব্যর্থ হলেও মার্কশিটে লেখা থাকবে না ‘ফেল’ শব্দটি, পড়ুয়াদের মনোবল বাড়াতে নয়া ভাবনা বিহার সরকারের zoom
ছবি AI দ্বারা নির্মিত।
Advertisement

পাস-ফেল উঠছে না। তবে রেজাল্ট থেকে ‘ফেল’ শব্দটি তুলেই দিল বিহার সরকার। দশম-দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ সম্রাট চৌধুরী সরকারের। বিহারের শিক্ষামন্ত্রী মিথিলেশ তিওয়ারি জানিয়েছেন, কোনও পড়ুয়া পরীক্ষায় পাস করতে না পারলে তাঁর মার্কশিটে ‘ফেল’-এর বদলে লেখা থাকবে ‘এলিজেবল ফর স্কিল ট্রেনিং’। অর্থাৎ ওই পড়ুয়া স্কিল ডেভলপমেন্ট বা বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। মন্ত্রীর সাফ কথা, “পরীক্ষায় প্রত্যাশিত নম্বর না পাওয়া কোনও শিশুর সম্ভাবনাকে মুছে দেয় না। তাই, সার্টিফিকেটে ‘ফেল’-এর মতো শব্দ ব্যবহার করা হবে না।” তবে এখনও সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি।

রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, কোনও পড়ুয়ার ব্যর্থতার পিছনে নানা কারণ থাকতে পারে। তাই পরীক্ষায় পাস করতে না পারলেই সেই পড়ুয়ার প্রতিভা বা যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা ঠিক নয়। মিথিলেশের কথায়, “পরে তার প্রতিভা বিকশিত হতে পারে। সেই কারণেই মার্কশিট থেকে ‘ফেল’ শব্দটি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, অকৃতকার্য পড়ুয়ারা বিহার বোর্ড অফ ওপেন স্কুলিং অ্যান্ড এগজামিনেশন- এর বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়ন ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারবে। অর্থাৎ, পরীক্ষায় সাফল্য না এলেও তাঁদের জন্য পড়াশোনা বা ভবিষ্যতের পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে না। শুধু মার্কশিটে পরিবর্তন নয়, সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার্থীদের জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

Advertisement

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী এই উদ্যোগের অনুমোদন দিয়েছেন। আরও বিস্তারিত জানিয়ে মন্ত্রী বলেন যে, ম্যাট্রিক কম্পার্টমেন্ট পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ছাত্রছাত্রীদের জন্য এক মাসব্যাপী বিশেষ ক্লাসের আয়োজন করা হবে। এর উদ্দেশ্য হল, ছাত্রছাত্রীদের আরও ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়ার এবং তাদের সফলতার সম্ভাবনা বাড়ানোর সুযোগ করে দেওয়া।

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবসে ‘টিচার সাপোর্ট পোর্টাল’ চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে বিহার সরকারের। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য ইতিমধ্যেই ‘বিদ্যা সাথী’ অ্যাপ চালু করা হয়েছে। এই অ্যাপে পড়ুয়ারা ২৪ ঘণ্টা শিক্ষকের কাছে যে কোনও বিষয়ে সাহায্য নিতে পারে। মিথিলেশ আরও জানিয়েছেন, শিক্ষকদের পছন্দ অনুযায়ী বদলির প্রক্রিয়াও সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.