West Bengal Assembly Election

আন্দোলনে একসঙ্গে মার খেয়েছেন! প্রতীক উরের দলবদলে মীনাক্ষীর মন্তব্য, ‘কিছু বলার মানসিকতা নেই’

একসময়ের সহযোদ্ধা কি এখন রাজনৈতিক শত্রু? এই প্রশ্নের উত্তর সরাসরি না দিলেও মীনাক্ষীর কথায় অনেক ইঙ্গিতই মিলল।

Advertisement
সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ২০:১৩

options
link
আন্দোলনে একসঙ্গে মার খেয়েছেন! প্রতীক উরের দলবদলে মীনাক্ষীর মন্তব্য, ‘কিছু বলার মানসিকতা নেই’
'কমরেড' থেকে তৃণমূল কর্মী প্রতীক উর রহমানকে নিয়ে মুখ খুললেন মীনাক্ষী। নিজস্ব ছবি

গত কয়েকদিন ধরে এই জল্পনা চলছিল। সেই জল্পনা সত্যি করে ভাষাদিবসের বিকেলে সিপিএমের তরুণ কমরেড প্রতীক উর রহমান যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তাঁর এই দলবদলের পরই আলিমুদ্দিনের তরফে বহিষ্কার করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শনিবার কোন্নগর মাস্টার পাড়ায় সিপিএমের গণ অর্থ সংগ্রহ কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় মুখ খুললেন তাঁকে নিয়ে। প্রতীক-প্রশ্নে বললেন, ”কিছু বলার মানসিকতা নেই।” তবে একত্রে আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করলেন। একসময়ের সহযোদ্ধা কি এখন রাজনৈতিক শত্রু? এই প্রশ্নের উত্তর সরাসরি না দিলেও মীনাক্ষীর কথায়, ‘‘লড়াইটা আজ তৃণমূলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে, গুন্ডারাজের বিরুদ্ধে, দাঙ্গাবাজদের বিরুদ্ধে, পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচানোর লড়াই। সেই লড়াইয়ে যারা দাঙ্গাবাজদের বিরুদ্ধে গুন্ডারাজ এর বিরুদ্ধে দুর্নীতিবাজের বিরুদ্ধে থাকবে তারা একসাথে লড়ছে।”

Advertisement

আন্দোলনের রক্তাক্ত দিনগুলিতে কীভাবে একজোট হয়ে লড়েছেন তাঁরা, সেসব কথা স্মরণ করলেন মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ‘‘ব্যক্তি প্রতীক উর রহমান, কমরেড প্রতীক উর রহমানের সাথে একসাথে পুলিশের ব্যারিকেডের এপারে দাঁড়িয়ে মার খেয়েছি। তাই লড়াইটা এখন রাজনীতির। পশ্চিমবঙ্গের চলমান রাজনীতির বদলের বিরুদ্ধে অসংখ্য ছেলেমেয়ে পথে-ঘাটে দাঁড়িয়ে জান-প্রাণ দিয়ে লড়াই করছে। এগুলো আমাদের অনেক বেশি সম্পদ। প্রতীক উরকে নিয়ে বলার মতো এই মুহূর্তে অতটা মানসিকতা আমি এখনো জোগাড় করতে পারিনি। এই গোটা পশ্চিমবঙ্গে যারাই দুর্নীতিবাজের বিরুদ্ধে গুন্ডাবাজির বিরুদ্ধে লড়ছে, তারা আমাদের সম্পদ। আর যারা এখনও দুর্নীতিবাজ, গুণ্ডাবাজদের সঙ্গে রয়েছেন, তাদেরকে আমরা এখনো ওখান থেকে বের করে আমাদের কাছে আনতে পারিনি। এটাও আমাদের লড়াই। রাজনীতিটা পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচানো নিয়ে। ব্যক্তি প্রতীক উরকে নিয়েই এখনও এই মুহূর্তে আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করেছি। রাস্তায় দাঁড়িয়ে চাকরির দাবিতে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে, নিয়োগের দাবিতে, লুটের বিরুদ্ধে আমরা দাঁড়িয়ে লড়াই করেছি। অসংখ্য কর্মী মার খেয়েছে, প্রতীক উরও একজন কর্মী ছিল। লড়াই চলবে, এক ইঞ্চি কমবে না। পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচানোর জন্য অসংখ্য কর্মীরা লড়াই করছে তারা লাল ঝান্ডা হাতে তুলে নিয়েছে, আগামী দিনে আরও নেবে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তৃণমূলের যোগদানের পরেই প্রতীক উর বলেছেন, বিজেপিকে পরাস্ত করতে পারে একমাত্র তৃণমূল। এর জবাবে মীনাক্ষী বলেন, ‘‘বিজেপিকে তৃণমূল পরাস্ত করতে পারে না। বিজেপিকে হাত ধরে টেনে পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে জল-হাওয়া দিয়েছে তৃণমূল। এ কথা কে বলছে, সেটা আজ আর ম্যাটার করে না। এটা পশ্চিমবঙ্গের বাস্তব সত্য। যতদিন বামেরা এ রাজ্যে ক্ষমতায় ছিল, ততদিন বিজেপির এখানে দাঁত ফোটানোর ক্ষমতা ছিল না।”

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন