বাংলায় তাপমাত্রা বাড়ছে। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চড়ছে ভোটের পারদ। রবিবার হেভিওয়েট প্রচারের ঝড় দেখল বাংলা। রবিবার শিলিগুড়িতে জনসভা করেন নরেন্দ্র মোদি। সেই জনসভায় দাঁড়িয়েই মোদিকে (PM Modi) বলতে শোনা গেছে, ‘সব আসনে আমি প্রার্থী। মোদিকে একবার সুযোগ দিয়ে দেখুন।’ মোদির এই বক্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা।
এই বিষয়ে আরও খবর
বঙ্গজয়ের স্বপ্ন সাকার করতে প্রাণ-পনে ঝাঁপিয়েছে গেরুয়াশিবির। খোদ দেশের প্রধানমন্ত্রীও বঙ্গে এসে প্রায় প্রতিদিনই প্রতিশ্রুতির বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন। বাংলার মানুষের আস্থা কুড়োতে কার্যত বদ্ধপরিকর মোদির প্রধান সেনাপতিও। বাংলা জয়ের লক্ষ্যে নির্বাচনী প্রচারে যাচ্ছেন না অমিত শাহও। বৃহস্পতিবারই তাঁর হাত ধরেই ভোটবঙ্গে প্রকাশিত হয়েছে বিজেপির ‘ভরসার শপথ’ অর্থাৎ নির্বাচনী ইস্তেহার।
ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, বাংলায় বিজেপির বুথস্তরের সংগঠনের ভিত যে পোক্ত নয়। তা কি আঁচ করতে পারছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী? বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই একাধিক জায়গায় প্রার্থী অসন্তোষ, গোষ্ঠীকোন্দলও মাথাচাড়া দিয়েছে গেরুয়াশিবিরের অন্দরে। সেই কারনেই হয়তো ঝুঁকি নিতে চাইছেন না মোদি। তাই বকলমে জনসভায় দাঁড়িয়েই তাঁকে বুঝিয়ে দিতে হচ্ছে মুখ নয়, প্রতীক দেখে ভোট দিন। এমনটাই মনে করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, সদ্য প্রকাশিত বিজেপির ইস্তেহারেও মহিলা ও বেকার যুবক-যুবতীদের ভাতা ঘোষণা করার বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে সমালোচনা কম হয়নি। তৃণমূলের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে যুবসাথী, সব ক্ষেত্রেই রাজ্য সরকারের প্রকল্পের ‘কপি’ করা হয়েছে বলে কটাক্ষ উড়ে গিয়েছে পদ্মশিবিরের দিকে। এবার বাংলার মানুষের মন জিততেও মমতার আশ্বাসবাণীতেই ‘ভরসা’ করতে হল দেশের প্রশাসনিক প্রধানকে! এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।
এদিক ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের (WB Assembly Election 2026) প্রচারে বেরিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের দরবারে পৌঁছে যাচ্ছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চতুর্থবার সরকার গড়ার লক্ষ্যে মানুষের কাছে তিনি উন্নয়নের খতিয়ানও তুলে ধরেছেন। ক্ষমতায় এলে বাংলার মানুষের পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে জেলায় জেলায় প্রায় প্রতিটি জনসভাতেই তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘আর কাউকে দেখবেন না। ২৯৪ টি কেন্দ্রে আমিই প্রার্থী। সরকার গড়ব আমি। আপনাদের হয়ে লড়াইটা আমিই করব।’
রাজনৈতিক মহলের মতে, বাংলায় ‘তাজা হাওয়া’-র বাহক হিসেবে মোদির মুখে কার্যত একই ‘বুলি’ শোনা গেল আজ! প্রসঙ্গত, সদ্য প্রকাশিত বিজেপির ইস্তেহারেও মহিলা ও বেকার যুবক-যুবতীদের ভাতা ঘোষণা করার বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে সমালোচনা কম হয়নি। তৃণমূলের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে যুবসাথী, সব ক্ষেত্রেই রাজ্য সরকারের প্রকল্পের ‘কপি’ করা হয়েছে বলে কটাক্ষ উড়ে গিয়েছে পদ্মশিবিরের দিকে। এবার বাংলার মানুষের মন জিততেও মমতার আশ্বাসবাণীতেই ‘ভরসা’ করতে হল দেশের প্রশাসনিক প্রধানকে! এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
অসুস্থ হয়ে দিল্লি এইমসে ভর্তি বিমান বসু, কী জানাল বামফ্রন্ট রাজ্য নেতৃত্ব?
-
হাওড়ায় বাড়ির সামনে জমা জলে উদ্ধার ব্যক্তির দেহ, তদন্তকারী দল পাঠালেন মন্ত্রী, আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস
-
আচমকা অসুস্থ বুদ্ধদেবজায়া মীরা ভট্টাচার্য, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
-
বাবাকে ‘টার্গেট’ ভেবে ঘরে ঢুকে ছেলেকে খুন! যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল হাওড়া আদালত
-
অভয়া মামলা থেকে নিস্তার নেই! তোলাবাজিতে জামিন হলেও জেলেই প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব



