ছাব্বিশের বঙ্গভোটে প্রচার প্রায় শেষ। আর এই শেষবেলায় সব রাজনৈতিক দলেরই প্রচারের সুর একেবারে সপ্তমে। সোমবার সকাল সকাল বারাকপুর শিল্পাঞ্চলের সাত বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীদের হয়ে শেষ জনসভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সিপাই বিদ্রোহের স্মৃতি বিজড়িত জায়গায় দাঁড়িয়ে মঙ্গল পাণ্ডে আবেগে শান দিলেন। দ্বিতীয় দফা ভোটে দলীয় কর্মী, সমর্থকদের মনোবল আরও চাঙ্গা করলে মোদি বললেন, ‘‘বাংলার মেজাজ বলছে, এবার পদ্ম ফুটছেই। অঙ্গ, কলিঙ্গের পর এবার বঙ্গে পদ্ম ফোটার পালা। নিশ্চিন্তে থাকুন, ৪ মে-র পর বিজেপি সরকারের শপথে আমি আসবই। কথা দিয়ে গেলাম।”
আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রী মোদির কথায়, ‘‘বাংলায় এবার অন্যরকম হাওয়া। এতদিন ধরে এত গরমে প্রচার করছি, এত ভিড়, তবু কোনও ক্লান্তি নেই। কেন জানেন? এখানকার মানুষের এত স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া। সবার মনোভাব বলে দিচ্ছে, এবার বাংলায় পরিবর্তন হচ্ছেই, বিজেপি সরকার তৈরি হচ্ছেই। এত রোড শো করছি, আমার কাছে এটা তীর্থযাত্রার মতো পবিত্র।”

আগামী ২৯ তারিখ, বুধবার রাজ্যে দ্বিতীয় তথা শেষদফার ভোট। ১৪২ আসনে ভোটগ্রহণ হবে। তার আগে সোমবার বিকেলেই শেষ হয়ে যাবে প্রচার। তার আগে এদিন সকাল সকাল জগদ্দলের জিলিপি ময়দানের মেগা জনসভা থেকে রীতিমতো আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তাঁর কথায়, ‘‘বাংলায় এবার অন্যরকম হাওয়া। এতদিন ধরে এত গরমে প্রচার করছি, এত ভিড়, তবু কোনও ক্লান্তি নেই। কেন জানেন? এখানকার মানুষের এত স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া। সবার মনোভাব বলে দিচ্ছে, এবার বাংলায় পরিবর্তন হচ্ছেই, বিজেপি সরকার তৈরি হচ্ছেই। এত রোড শো করছি, আমার কাছে এটা তীর্থযাত্রার মতো পবিত্র।”

এদিন বারাকপুর, ভাটপাড়া, নোয়াপাড়া, জগদ্দল, নৈহাটি-সহ একাধিক প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন মোদির সভায়। প্রধানমন্ত্রীর হাতে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, মঙ্গল পাণ্ডে এবং নৈহাটির বড়মার ছবি তুলে দেন তাঁরা। তাতে আরও আপ্লুত হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। বক্তব্য রাখতে গিয়ে একেকটি ইস্যু ধরে তৃণমূল সরকারকে যত না আক্রমণ করেছেন তিনি, তার চেয়ে বেশি বিজেপির ক্ষমতায় আসা নিয়ে আত্মবিশ্বাস ঝরে পড়ল তাঁর কথায়। বললেন, ‘‘বাংলার মানুষ মুক্তি চায় এই দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূল সরকার থেকে। এবার বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী হবেন। ডবল ইঞ্জিন সরকার হবে। সিএম-পিএম মিলে উন্নয়নের কাজ হবে। আমি পাঁচ প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছি। বিজেপি ক্ষমতায় এলে রোজগার মেলায় যুবকদের নিয়োগপত্র সরকারি শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগ, সপ্তম পে কমিশনের আওতায় সরকারি কর্মীরা কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় মেক ইন ইন্ডিয়া হাব, গ্রামীণ এলাকায় বছরে ১২৫ দিনের কাজ, গুন্ডাদের বেছে বেছে শাস্তি দেওয়া হবে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
জীবিত না মৃত! এবার সুপ্রিম নির্দেশে জনসমক্ষে আনা হবে ইমরানকে, কী বলল পাক আদালত?
-
২০২০ সালে ধর্মীয় সভার নামে হাজির আইএসআই কর্তারা! সমাবেশের আড়ালেই পাক চর নিয়োগ নেপালে?
-
‘এবার তলোয়ার চালাব’, শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটারদের খোঁচা পন্থের, ‘ভাগ করে খাওয়ার’ পরামর্শ সরফরাজের
-
স্টান্টের সময় মাথায় আঘাতে স্মৃতি উধাও জ্যাসমিনের! কনকাশন কী, কেন এমন হয়?
-
ইমরান ম্যাজিকে ফিকে ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’, তবুও সানিকেই সমর্থন, ভূয়সী প্রশংসা হেমার