ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। পুরোদমে প্রচারে নেমেছেন প্রার্থীরা। ভোট প্রচার ও সাংগাঠনিক কাজে গিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ (Saumitra Khan)। কর্মীদের উসকানি দিয়ে তাঁর মন্তব্য, “নির্বাচনে ডান্ডা ব্যবহার করুন।” পাশাপাশি তিনি বলেন, “চোর তৃণমূল এসেছে বাড়ির কাছে। তাই চোর তাড়ানোর জন্য গরম জল আর ডান্ডা রাখুন। বিজেপিকে ফোন করুন।” পালটা দিয়ে দুর্গাপুর পশ্চিমের তৃণমূল প্রার্থী কবি দত্ত বলেন, “বিজেপি নেতাদের কেউ চেনে কী?”
এই বিষয়ে আরও খবর
বুধবার দুর্গাপুরে ক্ষুদিরাম মাঠ সংলগ্ন দলীয় কার্যালয়ে গিয়েছিলেন সৌমিত্র খাঁ। দুর্গাপুর পশ্চিমের তৃণমূল প্রার্থীকে আক্রমণ করে বলেন, “এই ব্যবসায়ীদেরকে যদি ভোট দেন তাহলে তিনি বড়লোক হবেন। তাঁর পরিবার বড়লোক হবেন। কিন্তু সাধারণ মানুষ দুর্বিষহ পরিস্থিতিতে কাটাবেন।”
কার্যালয় থেকে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেন সৌমিত্র। তৃণমূল জামানায় রাজ্যের উন্নতি হয়নি বলে দাবি তাঁর। বিজেপিকে ভোট দিলে ‘সোনার বাংলা’ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, “ভালো ছেলেমেয়েরা অন্য রাজ্যে কাজ করতে যাচ্ছেন। রাজ্যে কর্মসংস্থান নেই। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছে দুর্গাপুরকে শিল্প করিডর করা হবে। বহু বেকার যুবক-যুবতীর কর্মসংস্থান হবে। আগামী দিনে অত্যাধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা করে উঠবে। যাঁরা পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করছে তাঁদের ফিরিয়ে আনা হবে। সেই জন্য তৃণমূলের মতো চোর দলকে আগে তাড়াতে হবে।” পালটা দিয়ে দুর্গাপুর পশ্চিমের তৃণমূল প্রার্থী কবি দত্ত বলেন, “সেই একই কথা বলছে ওরা। দুর্গাপুরের মানুষ আমাকে চেনেন।” তাঁর বিধানসভায় বিজেপির কোনও ‘অস্তিত্ব’ আছে কি না, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
প্রথমবার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় কানাডা, ‘তোমরাই নায়ক’, ঐতিহাসিক জয়ে উচ্ছ্বসিত কোচ
-
৭০ লক্ষ টাকা ‘তোলাবাজি’, গ্রেপ্তার ফিরহাদ ‘ঘনিষ্ঠ’ প্রাক্তন কাউন্সিলর শামস ইকবাল
-
ট্রাম্পের রোষে কঙ্গোর সুপার ফ্যান! মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পেলেন না মিচেল
-
এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ বধূ
-
‘খুব বাঁচা বেঁচেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ’, রচনার সুরবদলের পরই কেন একথা বললেন মনোরঞ্জন?



