Pakistan

মাদ্রাসার জন্য জায়গা প্রয়োজন! শতবর্ষ প্রাচীন হিন্দু মন্দির ভাঙা পড়ল পাকিস্তানে

কাশ্মীর নিয়ে ভারতকে জ্ঞান দিতে আসে, অথচ নিজ দেশে সংখ্যালঘুদের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছে পাকিস্তান। সেই ছবি আরও একবার সামনে চলে এল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬, ১৩:৪৪

options
link
মাদ্রাসার জন্য জায়গা প্রয়োজন! শতবর্ষ প্রাচীন হিন্দু মন্দির ভাঙা পড়ল পাকিস্তানে
পাকিস্তানে ধ্বংস করা হল শতবর্ষ প্রাচীন মন্দির।

কাশ্মীর নিয়ে ভারতকে জ্ঞান দিতে আসে, অথচ নিজ দেশে সংখ্যালঘুদের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছে পাকিস্তান (Pakistan)। সেই ছবি আরও একবার সামনে চলে এল। মাদ্রাসার জন্য জমি প্রয়োজন, এই অজুহাতে পাকিস্তানে ভাঙা হল শতবর্ষ প্রাচীন হিন্দু মন্দির। সোমবার এই তথ্য সামনে এনেছে পাকিস্তানের সংখ্যালঘু সংগঠন। জানা যাচ্ছে, ঘটনা পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের।

Advertisement

লাহোর থেকে ১৩০ কিলোমিটার দূরে নারোয়াল জেলার সিরাজ গ্রামে ছিল মন্দিরটি। জানা যাচ্ছে, মন্দিরের পাশেই এক মাদ্রাসা ছিল। এই অবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে ওই মাদ্রাসার কট্টরপন্থীদের নজর ছিল মন্দিরটির উপর। সম্প্রতি মন্দিরটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়ে জমিটি মাদ্রাসার সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া হয়। মন্দিরটি ১০০ থেকে ১২৫ বছরের পুরনো। এবং ১০০০ বর্গমিটার জায়গাজুড়ে বিস্তৃত ছিল মন্দিরটি। দাবি করা হচ্ছে, নিষিদ্ধ উগ্রপন্থী ইসলামী সংগঠন তেহরিক-ই-লাব্বাইক পাকিস্তান (টিএলপি)-এর সঙ্গে যুক্ত। এই সংগঠনের সদস্যরাই মন্দিরটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দীর্ঘদিন ধরে ওই মাদ্রাসার কট্টরপন্থীদের নজর ছিল মন্দিরটির উপর। সম্প্রতি মন্দিরটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়ে জমিটি মাদ্রাসার সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া হয়।

পাকিস্তান সরকারের তরফে অবশ্য মন্দিরটি ভাঙার দাবি উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, প্রবল বৃষ্টির জেরে মন্দিরটি একা একাই ভেঙে গিয়েছে। যদিও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ভাঙার পর মন্দিরের চূড়ার ধাতব অংশ, অন্যান্য সামগ্রী ও ধ্বংসস্তূপ থেকে ইট সরিয়ে নেওয়া হয়। স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের তরফে এই মন্দিরভাঙার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে। এবং সেটি পুনর্নির্মাণের আর্জি জানানো হয়েছে সরকারের কাছে।

Advertisement

উল্লেখ্য, পাকিস্তানে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা নতুন কিছু নয়। যার জেরে দেশভাগের আগে সেখানে হিন্দুর সংখ্যা যেখানে ২৮ শতাংশ ছিল সেটাই কমে ২ শতাংশে ঠেকেছে। নিত্যদিন সেখানে হিন্দু মহিলা ও অল্পবয়সি কিশোরীদের অপহরণ ও ধর্মান্তরিত করার ঘটনা। অভিযোগ দায়ের করলে প্রশাসনের তরফে এর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হয় না। উলটে চলে অত্যাচার।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.