Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Ebola

কঙ্গোয় আরও ভয়াবহ ইবোলা সংক্রমণ, সংক্রমিত ৬ হাজার, মৃত ৩০০০!

কঙ্গোর প্রশাসন জানিয়েছে, ইতিহাসের নিরিখে এটাই সবচেয়ে দ্রুত বাড়তে থাকা ইবোলা সংক্রমণ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ২০:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ২০:৪১

options
link
কঙ্গোয় আরও ভয়াবহ ইবোলা সংক্রমণ, সংক্রমিত ৬ হাজার, মৃত ৩০০০! zoom
কঙ্গোয় আরও ভয়াবহ ইবোলা পরিস্থিতি, এবার প্রাণীদেহ থেকে সংক্রমণ। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement

যত সময় যাচ্ছে ততই ভয়ংকর আকার ধারণ করছে মারণ ভাইরাস। আগেই বিখ্যাত আন্তর্জাতিক পত্রিকা ‘নেচার মেডিসিন’ ইঙ্গিত দিয়েছিল, সময়ের সঙ্গে সঙ্গেই ইবোলার দাপট বাড়বে। এবার সেই ভবিষ্যদ্বাণীই সত্যি হতে দেখা যাচ্ছে। সোমবার কঙ্গোর প্রশাসন জানিয়েছে, ইতিহাসের নিরিখে এটাই সবচেয়ে দ্রুত বাড়তে থাকা ইবোলা সংক্রমণ।

আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়েছে ৬ হাজার। মৃতের সংখ্যা ২৯১১। সুস্থ হয়ে গিয়েছেন ১৩৬০ জন।
ফেব্রুয়ারি থেকে কঙ্গোয় ছড়িয়েছে ইবোলার নতুন প্রজাতি। বিপদের নাম ‘বুন্ডিবুজিও স্ট্রেন’। মনে করা হচ্ছিল, এটাই ইবোলার সাম্প্রতিকতম ভ্যারিয়েন্ট। যার কোনও প্রতিষেধক এখনও নেই। এর আগে ইবোলা ভাইরাসের অন্যান্য স্ট্রেনকে রুখতে যেসব ভ্যাকসিন ছিল, তা আর কার্যকর হচ্ছে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, এটাই ইবোলার ভয়ংকরতম প্রাণঘাতী ভাইরাস। যা শুধু মানুষের সংস্পর্শে সংক্রমিত হচ্ছে না, প্রাণীর দেহ থেকেও ছড়িয়ে পড়ছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আর সেটাই সবচেয়ে উদ্বেগের হয়ে দাঁড়িয়েছে এখন। ‘হু’ জানিয়েছে, ইবোলা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে। ২০১৪-১৬ সময়কালে পশ্চিম আফ্রিকায় মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছে ১১ হাজার! বিশেষত গিনিস লিবেরিয়া ও সিয়েরা লিওনের মতো অঞ্চলে। তখনই তার প্রতিষেধক তৈরি হয়। কিন্তু এবারের ছবিটা একদম অন্যরকম।

তথ্য বলছে মারণ ইবোলা ভাইরাসে কেউ আক্রান্ত হলে মাত্র তিন দিনে রোগীর মৃত্যু হয়। স্পর্শের মাধ্যমে বা মানুষের আশেপাশে থাকার ফলেও ছড়াতে পারে ভাইরাসটি। হাঁচি, কাশি, সংক্রামিত প্রাণী খাওয়ার মাধ্যমেও ইবোলা হতে পারে। কোনও ক্ষতস্থান অথবা চোখ, নাক বা মুখ স্পর্শ করার মাধ্যমে ব্যক্তিকে সংক্রমিত করে। গত মে মাসে প্রথমবার ইবোলা সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ ছড়ায় কঙ্গোয়। মাত্র ৩ মাসে মধ্য আফ্রিকাজুড়ে আতঙ্কের অপর নাম হয়ে উঠেছে এই ভাইরাস। কঙ্গো ছাড়িয়ে উগান্ডাতেও ছড়াতে শুরু করেছে এই মারণ ভাইরাস। এই পরিস্থিতিতে সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান বুঝিয়ে দিল পরিস্থিতি কার্যতই হাতের বাইরে চলে গিয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.