Nepal Flash Flood

রাখে হরি মারে কে! ৯ দিন কাদামাটির স্তূপে চাপা পড়েও জীবিত অবস্থায় উদ্ধার নেপালের ২

তাঁরা দু'জনেই ত্রিশূলি ৩এ হাইড্রোপাওয়ার প্রজেক্টে কর্মরত ছিলেন। গত ২৬ আগস্ট ভয়ংকর হড়পা বানের সময় কাজ করছিলেন। আচমকাই কাদামাটির স্তূপে চাপা পড়েন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬, ১২:৫৫

options
link
রাখে হরি মারে কে! ৯ দিন কাদামাটির স্তূপে চাপা পড়েও জীবিত অবস্থায় উদ্ধার নেপালের ২
শুক্রবার ধ্বংসস্তূপ থেকে দেহ বের করতে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল।

কথা বলে, রাখে হরি মারে কে। সেটাই সত্যি হল নেপালের ত্রিশূলি হাইড্রোপাওয়ার প্রজেক্টের দুই কর্মীর জীবনে। হড়পা বানে নেপালের (Nepal Flash Flood) বিস্তীর্ণ এলাকা কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ৯ দিন কাদামাটি চাপা পড়ে থাকার পরেও আশ্চর্যজনকভাবে বেঁচে গিয়েছেন ওই দু’জন। শুক্রবার জীবিত অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করা হয়েছে। আশা ছেড়ে দেওয়া দুই কর্মীর পরিবারে এখন খুশির হাওয়া।

Advertisement

নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুং জানিয়েছেন, শুক্রবার উদ্ধার করা হয়েছে কবীর মহাজন এবং সঞ্জয় শাহকে। তাঁরা দু’জনেই ত্রিশূলি ৩এ হাইড্রোপাওয়ার প্রজেক্টে কর্মরত ছিলেন। গত ২৬ আগস্ট ভয়ংকর হড়পা বানের সময় কাজ করছিলেন। আচমকাই কাদামাটির স্তূপে চাপা পড়েন। ওই অবস্থাতেই ৯ দিন পড়েছিলেন। তাঁরা যে বেঁচে থাকতে পারেন, কেউই আশা করতে পারেননি। অবশেষে শুক্রবার ধ্বংসস্তূপ থেকে দেহ বের করতে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। সেখানেই মিরাকল।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

৪৫ বছর বয়সি কবীর মহাজন সুপারভাইজার হিসাবে কাজ করছিলেন হাইড্রোপাওয়ার প্রজেক্টে। যখন তাঁকে উদ্ধার করা হয় তখনও জ্ঞান ছিল কবীরের। আপাতত কাঠমাণ্ডুর সেনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। কবীরের ভাই আমির বলছেন, “মনটা অনেক ভারমুক্ত হল, আমি খুব খুশি।” তবে ৩০ বছর বয়সি কর্মী সঞ্জয়ের চেতনা নেই। কাঁধে চাপিয়ে তাঁকে বের করে আনেন উদ্ধারকারীরা। কাঠমাণ্ডুর হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে তাঁদের। উল্লেখ্য, ওই এলাকায় অন্তত ১৫০ জন চাপা পড়েছেন বলে অনুমান। দু’জনকে উদ্ধারের পর বাকিদের অনেককেও জীবিত অবস্থায় পাওয়া যেতে পারে বলে আশা উদ্ধারকারীদের।

Advertisement

ত্রিশূলী ও ভোটকোসি নদীর ধ্বংসযজ্ঞে এখনও পর্যন্ত প্রাণ গিয়েছে ১২৫৯ জনের। নিখোঁজ অন্তত ৫০০০ জন। এখনও পর্যন্ত জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা গিয়েছে ৬৫৪১ জনকে। ভয়ংকর দুর্যোগে কত বাড়ি, অফিস, সেতু, দোকান-বাজার ভেঙেছে, তার স্পষ্ট হিসাব এখনও প্রশাসনের কাছে নেই। মনে করা হচ্ছে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক লক্ষ কোটি টাকা। এখনও পর্যন্ত ১২ হাজার মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও বহু এলাকায় পৌঁছতে পারেননি উদ্ধারকারীরা। ফলে আগামী দিনে হতাহতের সংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনা প্রবল।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.