Pakistan

পাকিস্তানেই জামাই আদরে রয়েছে মুম্বই হামলার চক্রী সাজ্জাদ মীর, প্রকাশ্যে আস্তানার হদিশ

মাসুদ আজহারের গোপন আস্তানার হদিশ গোয়েন্দা রিপোর্টে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৮, ২০২০, ১৭:৪৫

options
link
পাকিস্তানেই জামাই আদরে রয়েছে মুম্বই হামলার চক্রী সাজ্জাদ মীর, প্রকাশ্যে আস্তানার হদিশ

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সন্ত্রাসে মদত দেওয়ার অভিযোগে আন্তর্জাতিক স্তরে বারবার ভর্ৎসনার মুখে পড়েছে পাকিস্তান (Pakistan)। তবুও সন্ত্রাসের পথ থেকে সরে আসার কোনও লক্ষ্মণ নেই। সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে আমেরিকা দাবি করেছিল, পাকিস্তানেই বহাল তবিয়তেই আছে জইশ প্রধান মাসুদ আজহার ও ২৬/১১ এর মুম্বই হামলার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড সাজ্জাদ মীর। এবার রীতিমতো তাদের বাড়ির ঠিকানা ফাঁস করল সেই গোয়েন্দা রিপোর্ট। আর এই রিপোর্টের জেরে বেজায় অস্বস্তিতে পড়েছে ইসলামাবাদ।

Advertisement

26/11 মুম্বই হামলার অন্যতম অভিযুক্ত ডেভিড কোলম্যান হেডলির হ্যান্ডলার ছিল সাজ্জাদ মীর। তার নির্দেশেই মুম্বইয়ের Chabad House-এ মার্কিন দম্পতিকে গুলি করেছিল লস্কর-ই-তইবার সন্ত্রাসবাদীরা। তাকে মার্কিন গোয়েন্দারাও খুঁজছেন। এমনকী, তার উপর পুরস্কারও রেখেছেন তাঁরা। সে আপাতত পাকিস্তানেই বহাল তবিয়তে রয়েছে বলে দাবি করেছেন আমেরিকার গোয়েন্দারা। তাঁরা জানিয়েছেন, সাজ্জাদ মীর রাওয়ালপিণ্ডির আদিয়ালা জেল রোডের গার্ডেন ভিলা হাউসিং সোসাইটিতে থাকে। অবশ্য আরও একটি বিকল্প ঠিকানার হদিশ দিয়েছেন তাঁরা। মনে করা হচ্ছে, লাহোরের অল ফয়জল শহরের সি ব্লকেও আস্তানা বানাতে পারে মীর। সেখানে থেকেই রীতিমতো জঙ্গি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সে। আর এ সবটাই হচ্ছে পাক গুপ্তচর সংস্থা ISI-এর মদতে।

Advertisement

[আরও পড়ুন : করোনার ‘দ্বিতীয়’ ধাক্কার আশঙ্কা চিনে, রাজধানী বেজিংয়ের অর্ধেকের বেশি এলাকায় জারি লকডাউন]

গোয়েন্দা রিপোর্টে ফাঁস হয়েছে জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের আস্তানার ঠিকানাও। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের দাবি, মার্কিনি গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে জইশ সদর দপ্তরেই রয়েছে মাসুদ। পাঞ্জাব প্রদেশের ভাওয়ালপুরে রেলওয়ে লিংক রোডেই জইশের সদর কার্যালয় মারকাজ-এ-উসমান-এ-আলি। সেখানে বসেই এখনও দলের খুঁটিনাটি কাজের উপর কড়া নজর রাখে মাসুদ। পাকিস্তান পুলিশ-সেনার নাকের ডগায় বসে নাশকতার ছক কষলেও নাকি তাঁরা দুজনকেই খুঁজে পান না পাক গোয়েন্দারা। তাই আন্তর্জাতিক দরবারে জানান, মীর আর হাফিজ দুজনই নাকি বেপাত্তা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মার্কিনি এই রিপোর্ট দুজনের ঠিকানা বাতলে দেওয়ার ফলে চাপ আরও বাড়ল। এবার পাকিস্তান কী করে, তাই এখন দেখার।

Advertisement

[আরও পড়ুন : সামাজিক দূরত্বের গেরোয় ফাঁকা ট্রাম্পের সভা, ভিড় বাড়াতে ছেঁড়া হল ‘Do not sit’ স্টিকার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.