Strait Of Hormuz

জলে যুদ্ধ! হরমুজ পারাপারে ইরানকে শুল্ক দিলেই কঠিন নিষেধাজ্ঞা, জাহাজ সংস্থাগুলিকে মার্কিন হুঁশিয়ারি

এদিন ইউএস অফিস অফ ফরেন অ্যাসেট কন্ট্রোল (ওএফএসি) এক নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, আগেই মার্কিন নাগরিক ও সংস্থাগুলির উপর ইরানের সরকারি সংস্থাগুলিকে শুল্ক প্রদান নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এবার অন্যরাও ইরানকে অর্থ প্রদানে করলে নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হতে পারেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩, ২০২৬, ১৬:২২

options
link
জলে যুদ্ধ! হরমুজ পারাপারে ইরানকে শুল্ক দিলেই কঠিন নিষেধাজ্ঞা, জাহাজ সংস্থাগুলিকে মার্কিন হুঁশিয়ারি
হরমুজের একাংশ পাহারা দিচ্ছে মার্কিন নৌসেনা।

ক্ষেপণাস্ত্রের যুদ্ধ আপাতত বন্ধ। কিন্তু হরমুজ প্রণালীর (Strait Of Hormuz) দখলদারি নিয়ে জলে যুদ্ধ অব্যাহত। রবিবার আন্তর্জাতিক জাহাজ সংস্থগুলিকে হুমকি দিল আমেরিকা— নিরাপদ জলযাত্রার জন্য ইরানকে শুল্ক দিলেই কঠিন নিষেধাজ্ঞা চাপানো হবে। সংঘর্ষ বিরতির পর থেকে তেহরানের উপর নানা ভাবে আর্থিক চাপ তৈরি করতে চাইছে আমেরিকা। সেই সূত্রেই এবার বৈশ্বিক জাহাজ কোম্পানিগুলিকে হুঁশিয়ারি দিল ট্রাম্প প্রশাসন।

Advertisement

এদিন ইউএস অফিস অফ ফরেন অ্যাসেট কন্ট্রোল (ওএফএসি) এক নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, আগেই মার্কিন নাগরিক ও সংস্থাগুলির উপর ইরানের সরকারি সংস্থাগুলিকে শুল্কপ্রদান নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এবার অন্যরাও ইরানকে অর্থ প্রদান করলে নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হতে পারেন। উল্লেখ্য করা হয়েছে, ইরানের বন্দরে যাতায়াতকারী জাহাজগুলির মালিকানা সংস্থাগুলি মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

Advertisement

ইরানের সঙ্গে আমেরিকার সংঘাত থামাতে মধ্যস্থতা করছে পাকিস্তান। তাদের মাধ্যমে পাঠানো ইরানের সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছেন ট্রাম্প। জানিয়ে দিয়েছেন, ওয়াশিংটন নির্ধারিত সময়ের আগে সেখান থেকে সরবে না। কারণ, তারা চায় না তিন বছর পর আবারও একই ধরনের সমস্যার উদ্ভব হোক। পাশাপাশি তেহরানকে খোঁচা মেরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ”ওদের নেতৃত্ব একেবারে অসংগঠিত। সবাই সমঝোতায় পৌঁছাতে চায়, কিন্তু নিজেদের মধ্যেই চরম বিশৃঙ্খলা…।” এই চাপানউতরের মধ্যেই বৈশ্বিক জাহাজ সংস্থাগুলিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখল আমেরিকা।

Advertisement

শনিবার ইরানের সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে সে দেশের সেনা আধিকারিক মহম্মদ জাফর আসাদি বলেন, “ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আমেরিকা এখন নিজেদের ছড়ানো জঞ্জাল পরিষ্কার করতে তৎপর। তাদের বর্তমান কর্মকণ্ড এবং বিবৃতিগুলি শুধুই প্রচারমূলক।” তিনি আরও বলেন, “মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী যদি নতুন করে কোনও দুঃসাহসিক অভিযান চালায়, মূর্খামির পরিচয় দেয়, তাহলে তার কড় জবাব দিতে আমরা প্রস্তুত।” অন্যদিকে, ইরানের এই হুমকির পালটা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টও। শনিবার ফ্লোরিডায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “ইরান প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করেছি। কিন্তু সেটি গ্রহণযোগ্য নয়। গত ৪৭ বছরে মানবতা এবং গোটা বিশ্বের প্রতি তারা যা করেছে, তার জন্য তাদের মূল্য চোকাতে হবে। কোনও অসভ্যতা করলে ইরানে ফের গোলাবর্ষণ শুরু করবে আমেরিকা।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.