Nepal Unrest

অশান্ত নেপালে সেনা পাহারায় পশুপতিনাথ মন্দিরও, ৩৮ ভারতীয়কে বিহারে ফেরাল দূতাবাস

পশুপতিনাথ মন্দিরেও ভাঙচুর, লুটপাটের চেষ্টা হয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৫, ১৭:০৭

options
link
অশান্ত নেপালে সেনা পাহারায় পশুপতিনাথ মন্দিরও, ৩৮ ভারতীয়কে বিহারে ফেরাল দূতাবাস

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘জেন জি’ বিপ্লবে নেপাল পতন হয়েছে ওলি সরকারের। উন্মত্ত জনতার রোষাণল থেকে বাদ যায়নি সংসদ ভবন থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন, দপ্তর, একাধিক মন্ত্রীর বাড়ি। সোম ও মঙ্গলের পর বুধবারও প্রতিবেশী দেশজুড়ে চলেছে চরম অরাজকতা। হিংসার তাণ্ডব থেকে বাঁচেনি কাঠমান্ডুর পশুপতিনাথ মন্দিরও। সেখানেও একদল লোক ঢুকে পড়ে। চলে ভাঙচুর, লুঠপাটের চেষ্টা। যদিও সেনাবাহিনী সতর্ক থাকায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। আপাতত পশুপতিনাথ মন্দির ঘিরে রেখেছে সেনা। এদিকে বৃহস্পতিবার কাঠমান্ডুর ভারতীয় দূতাবাসের সাহায্যে বিহারের রাক্সৌল সীমান্ত হয়ে দেশে ফিরেছে ৩৮ জন ভারতীয়।

Advertisement

জানা গিয়েছে, এই ৩৮ জনের মধ্যে ২২ জন অন্ধ্রপ্রদেশের বাসিন্দা, ১৬ জন কর্নাটকের। বীরগঞ্জ-রক্সৌল সীমান্ত তারা ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন। তাঁদের দেশে ফিরতে সাহায্য করেন বীরগঞ্জের রাষ্ট্রদূত। সীমান্ত ডিঙানোর পর দেশে ফেরা ৩৮ জনের দায়িত্ব নিয়েছে বিহার প্রশাসন। তারাই যথাক্রমে অন্ধ্রপ্রদেশ এবং কর্নাটকের পৌঁছানোর ব্যবস্থা করবেন। অশান্ত নেপাল থেকে নির্বিঘ্নে দেশে ফিরতে পারায় ভারতীয় দূতাবাস এবং দুই দেশের পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ৩৮ ব্যক্তি। উল্লেখ্য, নেপালে আটকে পড়া অনেকেই ভারত সরকারের ব্যবস্থাপনায় এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহযোগিতায় শিলিগুড়ির পানিট্যাঙ্কি সীমান্ত হয়ে দেশে ফিরছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার বিক্ষোভকারীরা পশুপতিনাথ মন্দির কমপ্লেক্সের ভেতরে আগুন লাগানোর চেষ্টা করে। মন্দিরের গেটে ভাঙচুরের চেষ্টা হয়। এর পরেই সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করে। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাত ১০টা থেকে মন্দিরের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছে সেনা। এখন মন্দিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে সেনাই রয়েছে। মন্দির সংলগ্ন গোশালা চকেও সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। 

Advertisement

প্রসঙ্গত, গত সোমবার নেপালের ওলি সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে আন্দোলনে নামে জেন জি। এরপর মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন কেপি শর্মা ওলি। বহু নেতামন্ত্রীর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা। রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয় মন্ত্রীদের। এখনও অশান্তি থামেনি। ওলির পদত্যাগের পর নেপালের ক্ষমতা এখন সেনার হাতে। এর মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের নেতা হিসেবে দেশটির প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকির নাম ঘোষণা করেছে জেন জি। গোটা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে ভারত সরকার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.