সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত পাকিস্তান। ডেরা ইসমাইল খান শহরে একটি থানা ও সেনাঘাঁটিতে ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলা চালিয়েছে জঙ্গিরা। মৃত্যু হয়েছে অন্তত ২৩ জনের। আহত অনেকেই। নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে এখনও গুলির লড়াই চলছে জেহাদিদের। হামলার দায় স্বীকার করেছে তেহরিক-ই-জেহাদ পাকিস্তান।
জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার খাইবার পাখতুনখোয়ার ডেরা ইসমাইল খান শহরের একটি থানা ও সেনাঘাঁটিতে হামলা চালায় ফিদায়েঁ জঙ্গিদের একটি দল। জেহাদিরা নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে ঢুকে পড়ে। পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিও চালায়। এই হামলায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৮ জন। জঙ্গিদের নিকেশ করতে পালটা আক্রমণ শুরু করে পাক নিরাপত্তাকর্মীরা। শেষ পাওয়া খবর মোতাবেক এখনও পুলিশের সঙ্গে জেহাদিদের গুলির লড়াই চলছে। এই হামলার দায় স্বীকার করে নিয়েছে তেহরিক-ই-জেহাদ পাকিস্তান।
[আরও পড়ুন: তুঙ্গে তালিবান-পাকিস্তান সংঘাত, এবার আসরে আমেরিকা]
উল্লেখ্য, গত নভেম্বর মাসে পাঠানকোটের কায়দায় পাকিস্তানের (Pakistan) পাঞ্জাব প্রদেশের মিয়াঁওয়ালির বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলা চালায় ফিদায়েঁ জঙ্গিদের একটি দল। সেনার সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯ জেহাদির। সেই হামলারও দায় নেয় তেহরিক-ই-জেহাদ। এর আগেও ডেরা ইসমাইল খান শহরে পুলিশকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছিল। যার ফলে মৃত্যু হয় ৫ জনের।
বলে রাখা ভালো, এই ডেরা ইসমাইল খান শহর মূলত আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী উপজাতি এলাকা। সেখানে আইন কানুন বা সরকারি নিয়ন্ত্রণ নেই বললেই চলে। যা অন্য দেশ-সহ পাকভূমেরও বহু ইসলামিক সন্ত্রাসীদের চরণক্ষেত্র। ফলে ফের একবার রক্তাক্ত হল পাকভূম।
[আরও পড়ুন: ভয়ংকর ইজরায়েলি ফসফরাস বোমায় ক্ষতবিক্ষত লেবানন! প্রশ্নের মুখে আমেরিকা]
সর্বশেষ খবর
-
বসেছে পেসমেকার, এখন কেমন আছেন বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা বিমান বসু?
-
নাম ভুল থাকায় টিসি দিতে দেরি, স্কুলের স্টাফরুমে ঢুকে মহিলা অশিক্ষক কর্মীকে মার পড়ুয়াদের!
-
‘নাতির নাম তৈমুর, বন্দে মাতরম নিয়ে বলা আপনার শোভা পায় না’, শর্মিলাকে চরম তোপ শমীকের
-
বাঁধ ভেঙে বানভাসি ১৫ গ্রাম, নৌকাতেই আতঙ্কের দিন-রাত্রি শয়ে শয়ে মানুষের!
-
মুড়ি-মুড়কির মতো ‘দানধ্যান’, অন্নপূর্ণা বিক্ষোভে তৃণমূলকেই দুষলেন দিলীপ