Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Maldah

নাম ভুল থাকায় টিসি দিতে দেরি, স্কুলের স্টাফরুমে ঢুকে মহিলা অশিক্ষক কর্মীকে মার পড়ুয়াদের!

প্রাক্তন ছাত্রকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট দিতে দেরি! সেই অভিযোগে স্কুলের এক মহিলা অশিক্ষক কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে পড়ুয়াদের একাংশের বিরুদ্ধে। ওই ঘটনায় স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকরা ইন্ধন দিয়েছেন বলে অভিযোগ।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৬, ১২:২৮

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৬, ১২:২৮

options
link
নাম ভুল থাকায় টিসি দিতে দেরি, স্কুলের স্টাফরুমে ঢুকে মহিলা অশিক্ষক কর্মীকে মার পড়ুয়াদের! zoom
মহিলা অশিক্ষক কর্মীকে মার পড়ুয়াদের! ছবি-এআই
Advertisement

প্রাক্তন ছাত্রকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট দিতে দেরি! সেই অভিযোগে স্কুলের এক মহিলা অশিক্ষক কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে পড়ুয়াদের একাংশের বিরুদ্ধে। ওই ঘটনায় স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকরা ইন্ধন দিয়েছেন বলে অভিযোগ। তবে অভিযোগ সত্য নয় বলে পালটা দাবি করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহ জেলার বামগোলায় জগদলা হাই স্কুলে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

স্টাফ রুমে ঢুকে পড়ুয়ারা অশিক্ষক ওই কর্মীকে ঘিরে ধরে মারধর করেছে বলে অভিযোগ। ওই ঘটনা নিয়ে একটি ভিডিও ছড়িয়েছে সামাজিক মাধ্যমে। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল। ওই অশিক্ষক মহিলা কর্মীর অভিযোগ, গতকাল, শুক্রবার স্টাফ রুমে গিয়ে হামলা চালায় পড়ুয়ারা। পালটা তিনিও পড়ুয়াদের মারধর করেছেন বলে অভিযোগ। ওই মহিলা কর্মীর অভিযোগ, স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এই উস্কানি দিয়েছেন। সেই ইন্ধনেই পড়ুয়ারা তাঁকে মেরেছে!

Advertisement

ওই মহিলার অভিযোগ, ওই প্রাক্তন ছাত্রের স্কুলের নথিতে নামের বানান ভুল ছিল। সেই কারণে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট দেওয়া সম্ভব নয় বলে মহিলা জানিয়েছিলেন। গতকাল, ওই প্রাক্তন ছাত্র স্কুলে গিয়েছিল। কিন্তু টিসি না পাওয়ায় ক্ষোভ দেখা যায়। পড়ুয়াদের একাংশের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ায়। এরপরেই স্টাফ রুমে ঢুকে ওই মহিলা কর্মীকে মারধর করা হয়! মহিলার অভিযোগ, স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক অমিত হালদারের উসকানি ও ইন্ধনেই তাঁকে মারা হয়েছে। এর আগেও ওই অশিক্ষক কর্মীর উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবারের ঘটনায় বামনগোলা থানায় অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। অতীতে ওই মহিলাকে কুপ্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।

যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। তিনি পালটা দাবি করেছেন, পড়ুয়ারা এসে অভিযোগ করেছে তাদের মারধর করা হয়েছে। তাঁকেও মারধর করা হয়েছে! তৃণমূল নেতা বিশ্বজিৎ ঘোষ জানান, গোটা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া দরকার। দক্ষিণ মালদহ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায় বলেন, স্কুলে রাজনীতি বরদাস্ত করা হবে না। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.