Bondi Attack

বন্ডিকাণ্ডে গ্রেপ্তার সাত, ধৃতদের হিংসা ছড়ানোর পরিকল্পনা ছিল বলে দাবি পুলিশের

ঘটনার তদন্তে জড়িত পুলিশ আধিকারিকদের কাছে গোপন সূত্র মারফত কিছু তথ্য আসার পরেই এই অভিযান।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫, ১৯:৫১

options
link
বন্ডিকাণ্ডে গ্রেপ্তার সাত, ধৃতদের হিংসা ছড়ানোর পরিকল্পনা ছিল বলে দাবি পুলিশের
হামলার পর প্রাণ বাঁচাতে হুড়োহুড়ি বন্ডি বিচে। ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি সমুদ্র সৈকতে হামলার ঘটনায় আরও সাতজনকে পাকড়াও করল পুলিশ। ঘটনার তদন্তে জড়িত পুলিশ আধিকারিকদের কাছে গোপন সূত্র মারফত কিছু তথ্য আসে। তার ভিত্তিতেই অভিযান চালিয়ে দু’টি গাড়ি আটক করে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নিউ সাউথ ওয়েলসের পুলিশ। পুলিশের দাবি, একটি হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এমন তথ্য পাওয়ার পরেই অভিযান চালানো হয়।

Advertisement

প্রসঙ্গত, বন্ডিতে ইহুদি উৎসব হানুকা চলাকালীন যে দুই বন্দুকবাজের হামলায় প্রাণ হারাতে হয়েছে ১৫ জনকে, তাঁরা পাকিস্তানি নন, ভারতীয় বংশোদ্ভূত। তাদের মধ্যে একজনের জন্ম ভারতের হায়দরাবাদে। আর এক আততায়ী তারই ছেলে। গত কাল হামলাকারী বাবা-ছেলের পরিচয় প্রকাশ্যে আসার পরে তাদের বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ শুরু হয়। তখনই প্রকাশ্যে আসে যে বছর ৫০-এর সাজিদের ভারতীয় পাসপোর্ট ছিল। তবে তার ছেলে নাভিদ অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক।

Advertisement

তেলঙ্গানা পুলিশের তরফে দেওয়া একটি প্রেস বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সৌদি আরব থেকে হায়দরাবাদ গিয়ে একটি বাড়ি কিনেছিলেন সাজিদের বাবা। সেখানেই তার বড় হয়ে ওঠা। হায়দরাবাদের একটি কলেজ থেকেই বাণিজ্য নিয়ে স্নাতক স্তর পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিল সে। ২৭ বছর আগে, ১৯৯৮ সালে কর্মসূত্রে প্রথম বার অস্ট্রেলিয়ায় আসে। সেখানে ইউরোপীয় এক মহিলা, ভেনেরা গ্রোসোকে বিয়ে করে। তার পর থেকেই পাকাপাকি ভাবে অস্ট্রেলিয়ায় থাকতে শুরু করে দম্পতি। সাজিদের ছেলে নাভিদ ও তার মেয়ে বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। সূত্রের খবর, ২০২২ সালে শেষ বারের মতো হায়দরাবাদে যায় সাজিদ। পুলিশের অনুমান, সম্পত্তি নিয়ে বোঝাপড়ার জন্যই ভারতে গিয়েছিল সে। সম্প্রতি ফিলিপিন্সেও গিয়েছিল সাজিদ-নাভিদ। হামলার সঙ্গে ওই সফরের কোনও যোগ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখছে অস্ট্রেলিয়া পুলিশ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.