Israel

রাফার শরণার্থী শিবিরে হামলায় মৃত বেড়ে ৪৫, ‘দুঃখজনক ভুল’, বললেন নেতানিয়াহু

শরণার্থী শিবিরে হামলা হয়েছে মানলেন ইজরায়েলর প্রধানমন্ত্রী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০২৪, ০৯:৪০

options
link
রাফার শরণার্থী শিবিরে হামলায় মৃত বেড়ে ৪৫, ‘দুঃখজনক ভুল’, বললেন নেতানিয়াহু
ফাইল চিত্র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রবিবার রাতে দক্ষিণ গাজার রাফায় শরণার্থী শিবিরে মিসাইল হামলা চালায় ইজরায়েলি (Israel) সেনা। মৃত্যু হয়েছে ৪৫ জনের। মৃতদের মধ্যে শিশুরাও রয়েছে। যুদ্ধবিধ্বস্ত প্যালেস্টাইনের আশ্রয় শিবিরে হামলায় সমালোচনার মুখে ইজরায়েল প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতনিয়াহুর (Benjamin Netanyahu) দাবি, রাফার হামলা একটি “দুঃখজনক ভুল”। শুরুতে ইজরায়েলি সেনা দাবি করেছিল, হামাস জঙ্গিদের ঘাঁটিতে সফল অভিযানে চালানো হয়েছে। নিকেশ হয়েছে বেশ কয়েক জন হামাস কমান্ডার!

Advertisement

গতকাল প্যালেস্টাইনের স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছিল, রাফায় ইজরায়েলি মিসাইল হামলায় অন্তত ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত ১২ জন। মৃত্যু হয়েছে বহু শিশুর। পরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয় ৪৫। নিজেদের এক্স হ্যান্ডেলে হামলার কথা স্বীকারও করে ইজরায়েলি সেনাও। তাদের তরফে জানানো হয়, রাফায় (Rafah) একটি বসতি এলাকা লক্ষ্য করে মিসাইল হামলা চালানো হয়েছে। গোয়েন্দা রিপোর্টের ভিত্তিতে হামলা হয়েছে নির্দিষ্ট এলাকায়। যদিও প্যালেস্টাইনের দাবি করেছিল, উত্তর গাজা থেকে আসা শরণার্থী শিবিরেই হামলা করেছে ইজরায়েল। শেষ পর্যন্ত প্যালেস্টাইনের ওই দাবিকে মেনে নিলেন খোদ নেতানিয়াহু।

Advertisement

 

Advertisement

[আরও পড়ুন: দুর্বল মঞ্চ ভেঙে বেসামাল রাহুল! লালুকন্যার হাত ধরে পড়তে পড়তে বাঁচলেন, ভিডিও ভাইরাল]

সোমবার রাফায় হামলা নিয়ে ইজরায়েলের সংসদে নেতানিয়াহু বলেন, “নিরীহ সাধারণ নাগরিকদের ক্ষতি না করার জন্য আমাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও গতকাল রাতে একটি মর্মান্তিক ভুল হয়েছে।” এইসঙ্গে জানান, গোটা ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে, কীভাবে এই ভুল হল খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

[আরও পড়ুন: উড়িয়ে দেওয়া হবে তাজ হোটেল, বিমানবন্দর! হুমকি ফোনে আতঙ্কিত মুম্বই, তদন্তে পুলিশ]

প্রসঙ্গত, রবিবার রাফার তেল আল সুলতান এলাকায় হামলা চালায় ইজরায়েলি সেনা। সপ্তাহ দুয়েক আগে যেখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন হাজারেরও বেশি মানুষ। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দাবি, মৃতের সংখ্যা বাড়বে। অন্যতম কারণ রাফার কোনও হাসপাতালে কোনও জীবনদায়ী ওষুধ নেই। বেশির ভাগ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরাও যুদ্ধের আগুনে নিহত হয়েছেন। ফলে আহত প্রায় সকলেই মারা যাবে, আশঙ্কা রেডক্রস ও রাষ্ট্রপুঞ্জের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.