China

প্রয়োজনে নাগরিকদের সম্পদ ব্যবহার করবে সেনা, প্রতিরক্ষা আইনে বদল এনে যুদ্ধের প্রস্তুতি চিনের!

অদ্ভুত এই আইনে শুধুমাত্র নাগরিকদের সম্পদ ব্যবহারেরই অনুমতি দেওয়া হয়নি, বরং প্রয়োজনে তা বাজেয়াপ্ত করার বিধান দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬, ১৯:৫৯

options
link
প্রয়োজনে নাগরিকদের সম্পদ ব্যবহার করবে সেনা, প্রতিরক্ষা আইনে বদল এনে যুদ্ধের প্রস্তুতি চিনের!
চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ফাইল ছবি

প্রতিরক্ষা আইনে বড়সড় পরিবর্তন আনল চিন প্রশাসন। এখন থেকে যুদ্ধ কিংবা বড় কোনও সংকটে চিন প্রশাসন শুধুমাত্র সেনার উপর নির্ভরশীল থাকবে না। প্রয়োজনে সাধারণ নাগরিক, বেসরকারি সংস্থা বা অন্যান্য জাতীয় সম্পদও ব্যবহার করতে পারবে সরকার। গত ২৮ আগস্ট প্রতিরক্ষা আইনে এই সংক্রান্ত সংশোধনী অনুমোদন করেছে চিনের সংসদ। ১ অক্টোবর থেকে যা কার্যকর হতে চলেছে।

Advertisement

অদ্ভুত এই আইনে শুধুমাত্র নাগরিকদের সম্পদ ব্যবহারেরই অনুমতি দেওয়া হয়নি, বরং প্রয়োজনে তা বাজেয়াপ্ত করার বিধান দেওয়া হয়েছে। কোনও নাগরিক যদি সেক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে বা ইচ্ছাকৃত বিলম্ব করে সেক্ষেত্রে শাস্তিরও বিধান দেওয়া হয়েছে। জানা যাচ্ছে, ২০১০ সালের পর এই প্রথম প্রতিরক্ষা আইনে এত বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। নয়া আইনে ১৪টি অধ্যায় ও ৮২টি ধারা যুক্ত করা হয়েছে। চিনের মতে, এই আইনের লক্ষ্য হল কোনওরকম হুমকি এলে, দেশে যাতে দ্রুত যুদ্ধের সুইচ চালু করে দেওয়া যায়। এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক শক্তিকে প্রতিরক্ষার দিকে চালিত করা যায়। নয়া আইনে উন্নয়ন স্বার্থের পাশাপাশি দেশের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও নিরাপত্তার সুরক্ষাও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গত ২৮ আগস্ট প্রতিরক্ষা আইনে এই সংক্রান্ত সংশোধনী অনুমোদন করেছে চিনের সংসদ। ১ অক্টোবর থেকে যা কার্যকর হতে চলেছে।

নয়া আইনে আরও বলা হয়েছে, সেরকম পরিস্থিতি তৈরি হলে দেশের পরিবহণ, ডাক, টেলিযোগাযোগ, সাইবার নিরাপত্তা, চিকিৎসা ও ঔষধ সরবরাহ, খাদ্য ও শস্য সরবরাহ এবং প্রকৌশলের মতো ক্ষেত্রগুলিকে প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট এলাকার ইউনিটগুলিকে বিশেষ দল গঠন করে তাদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে যাতে তারা দ্রুত পদক্ষেপ করতে পারে। এখানে সাইবার নিরাপত্তাকে বিশেষভাবে অন্তর্ভুক্ত করেছে সরকার। পাশাপাশি নতুন ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধিরও আহ্বান জানানো হয়েছে। এছাড়াও জানা যাচ্ছে, চিনের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে কিছু আইন দেশের বাইরে বসবাসকারী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হতে পারে। এর অর্থ হলো, বিদেশে গৃহীত পদক্ষেপও চিনা আইনের আওতায় আসতে পারে।

Advertisement

চিনের এই নয়া আইন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, এই আইন আসলে চিনের যুদ্ধের প্রস্তুতি। ব্রাসেলস-ভিত্তিক ‘সেন্টার ফর রাশিয়া ইউরোপ এশিয়া স্টাডিজ’-এর পরিচালক থেরেসা ফ্যালন নয়া এই আইন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের ঝুঁকি বেড়ে চলেছে এটা উপেক্ষা করা সত্যিই কঠিন। রুশ-ইউক্রেন, ইরান-ইজরায়েল-আমেরিকা থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.