Coronavirus

একনায়ক কিমের নির্দেশে করোনা আক্রান্তকে গুলি! টুইটে ছড়াল জল্পনা  

কিম জং উনের 'আয়রন হ্যান্ড' নীতির কথা সর্বজনবিদিত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২, ২০২০, ১২:৩৬

options
link
একনায়ক কিমের নির্দেশে করোনা আক্রান্তকে গুলি! টুইটে ছড়াল জল্পনা  

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কিম জং উনের ‘আয়রন হ্যান্ড’ নীতির কথা সর্বজনবিদিত। তাঁর রোষে পড়ে প্রাণ হারাতে হয়েছে বহু ‘প্রভাবশালী’ সেনা আধিকারিক থেকে শুরু করে আমলাদের। এহেন কিমই হুংকার দিয়েছিলেন তাঁর দেশে করোনা ভাইরাস ঢুকলে ফল ভাল হবে না। তারপর গুজব ছড়িয়েছে যে কিমের নির্দেশে এক করোনা রোগীকে গুলি করে হত্যা করেছে প্রশাসন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: শান্তিচুক্তি হলেও তালিবান বন্দিদের মুক্তি নিয়ে জট, ইঙ্গিত আফগান প্রেসিডেন্টের কথায়]

সিঙ্গাপুরের একটি সংবাদ সংস্থার দাবি, উত্তর কোরিয়ার প্রথম নোভেল করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯ আক্রান্তকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এবং এই পদক্ষেপ করা হয়েছে স্বৈরশাসক কিমের নির্দেশেই। প্রতিবেদনে সিঙ্গাপুরের সংস্থাটি জানিয়েছে, একটি টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে রোগী হত্যার তথ্যটি পেয়েছে তারা। কিন্তু ওই অ্যাকাউন্টের সত্যতা সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি। টুইটার অ্যাকাউন্টটি হল ‘@সিক্রেট_বেজিং’। অ্যাকাউন্টের মালিক নিজের পরিচয়ে জানিয়েছেন, তিনি চিন ও তার পরিধির বাইরে এক জন সামাজিক পর্যবেক্ষক ও বিশ্লেষক। তিনি অবশ্য তাঁর খবরের সূত্র কী, তা বিশ্লেষণ করেননি। কিন্তু গোপনীয়তার মোড়কে মোড়া উত্তর কোরিয়া নিয়ে মানুষের কৌতূহল প্রবল। ফলে ‘সিক্রেট_বেজিং’-এর টুইট ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।  

Advertisement

এদিকে, নেটদুনিয়ায় করোনা আক্রান্তের হত্যার খবরটি ছড়িয়ে পড়লেও এই বিষয়ে যথারীতি মুখ খোলেনি পিয়ংইয়ং। এর আগেও বিরোধীদের উপর হিংস্র কুকুর লেলিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে কিমের বিরুদ্ধে। এমনকি নিজের সৎভাই কিম জং নামকেও বিষপ্রয়োগে হত্যার অভিযোগ রয়েছে উত্তর কোরিয়ার এই একনয়কের বিরুদ্ধে।  উল্লেখ্য, বিশ্বের প্রায় ৫৬টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে মারণ করোনা ভাইরাস। শুধুমাত্র চিনেই এপর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৩ হাজার মানুষের। করোনায় আক্রান্ত ৮০ হাজার মানুষের মধ্যে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে শি জিনপিং সরকার। রোগের উৎসস্থল হুবেই প্রদেশের রাজধানী ইউহান-সহ বেশ কয়েকটি শহর লকডাউন করে দিয়েছে প্রশাসন। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে স্কুল, কলেজ, অফিস, বাজার ও কারখানা। শিল্পে উৎপাদন কমার  ফলে অনেকাংশেই থমকে গিয়েছে চিনের অর্থনীতি।         

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্ত পোপ ফ্রান্সিসও! পরপর ধর্মীয় অনুষ্ঠান বাতিলে জোরদার জল্পনা]   

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.