Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
মার্কিন-তালিবান শান্তিচুক্তি

শান্তিচুক্তি হলেও তালিবান বন্দিদের মুক্তি নিয়ে জট, ইঙ্গিত আফগান প্রেসিডেন্টের কথায়

চুক্তি অনুযায়ী, ৫০০০ তালিবান বন্দি মুক্তি দেওয়ার কথা আফগান প্রশাসনের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১, ২০২০, ১৭:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১, ২০২০, ১৭:৫৬

options
link
শান্তিচুক্তি হলেও তালিবান বন্দিদের মুক্তি নিয়ে জট, ইঙ্গিত আফগান প্রেসিডেন্টের কথায় zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আফগানিস্তানের বিভিন্ন সংশোধনাগার থেকে তালিবান বন্দিদের ছেড়ে দেওয়া শান্তিচুক্তির পূর্বশর্ত ছিল না। চুক্তি স্বাক্ষরের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৫ হাজার তালিবান বন্দিকে ছাড়ার জল্পনা উড়িয়ে এই মন্তব্য করলেন আফগান প্রেসিডেন্ট আশরফ ঘানি। বলেই দিলেন, শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের আগে বন্দিদের ছাড়ার পূর্বশর্ত ছিল না, তবে সমঝোতার জন্য আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল।

পূর্বঘোষণামতো, শনিবার সন্ধেবেলা দোহায় আমেরিকা এবং তালিবানদের মধ্যে বহু প্রতীক্ষিত শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যে চুক্তির প্রতিটি প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে তালিবান বাহিনী মেনে চললে, আগামী একবছরের একটু বেশি সময়ের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে ধাপে ধাপে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হবে। সূত্রের খবর, চুক্তিপত্রে উল্লেখ ছিল যে আফগান জেলে বন্দি ১০ হাজার তালিবানকে মুক্ত করে দেওয়া হবে। তার বিনিময়ে তালিবানদের হাতে বন্দি ১০০০ জন সরকারি প্রতিনিধিকেও ছেড়ে দেবে জঙ্গি বাহিনী।

Advertisement

[আরও পড়ুন: অধরাই ইতিহাস! আজিজাহর বদলে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী পদে বসলেন মুহিউদ্দিন]

আফগানিস্তানের ঘানি প্রশাসনও এই চুক্তির এক অংশীদার। চুক্তিস্বাক্ষরের পরের দিনই তিনি জানালেন, “৫০০০ তালিবান বন্দিকে আফগানিস্তানের জেল থেকে ছাড়া নিয়ে কোনও প্রতিশ্রুতি নেই চুক্তিপত্রে। আর এই বিষয়টি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিবেচ্যও নয়। এটা পুরোপুরি আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ আলোচনা এবং পদক্ষেপের বিষয়।” তিনি এও জানান যে হিংসা কমিয়ে সম্পূর্ণ সংঘর্ষ বিরতিই লক্ষ্য। শান্তিতে দিন কাটানো আফগানবাসীর অধিকারের মধ্যেই পড়ে, যা থেকে দীর্ঘ সময় তাঁরা বঞ্চিত ছিলেন।

পশ্চিম এশিয়ার এই অঞ্চলের সামরিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তর গবেষণা করা বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, তালিবান জঙ্গিদের মুক্তি নিয়ে আফগান প্রশাসন বরাবরই কৌশলী। এই শান্তিচুক্তির আবহে তুরুপের তাসের মতো করেই বিষয়টি দেখছেন আশরাফ ঘানি। তাঁর মন্ত্রক বিবৃতি দিয়ে বলেছে, “ওরা ওদের বন্দিদের মুক্ত করতে চায়, আর আমরা চাই স্থায়ী সংঘর্ষ বিরতি।” বিশেষজ্ঞরা এও মনে করছেন যে চুক্তি নিয়ে আমেরিকা এবং তালিবানদের তরফে যে দুটি পৃথক বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছে, তার ভাষা আলাদা হওয়ায় বন্দি মুক্তি নিয়ে এই সংশয় তৈরি হয়েছে। ফলে চুক্তি স্বাক্ষর এবং আফগান ভূখণ্ডে স্থায়ী শান্তি ফেরানোর জন্য তালিবানদের অঙ্গীকারবদ্ধ করানো হলেও, আশরফ ঘানি সরকারের সঙ্গে তাদের বোঝাপড়া কী হবে, সে বিষয় সংশয় থাকছে।

[আরও পড়ুন: ‘আমাদের উদ্ধার করুন’, করোনা আক্রান্ত ইরান থেকে আরজি কাশ্মীরি পড়ুয়াদের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.