Harvard University

‘মিথ্যাচার করছে হার্ভার্ড!’ বিদেশি পড়ুয়াদের পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য চাইলেন ট্রাম্প

আর কী বললেন ট্রাম্প?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৫, ২০২৫, ১৫:৩২

options
link
‘মিথ্যাচার করছে হার্ভার্ড!’ বিদেশি পড়ুয়াদের পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য চাইলেন ট্রাম্প

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি পড়ুয়া ভর্তি নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল, শুক্রবার বস্টনের ফেডারেল আদালত তার উপর স্থগিতাদেশ জারি করেছে।  এই আবহে হাভার্ডকে ফের একবার নিশানা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বলেন, “মিথ্যাচার করছে হাভার্ড। বিদেশি পড়ুয়াদের ব্যাপারে সঠিক তথ্য তারা জনাচ্ছে না। আমেরিকার বাইরের পড়ুয়াদের তথ্য তাদের দিতেই হবে।”

Advertisement

হার্ভার্ডে বিদেশি পড়ুয়াদের আর ভর্তি নেওয়া যাবে না, ট্রাম্পের এই সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞাকে ‘বেআইনি ও অযৌক্তিক পদক্ষেপ’ বলে বিবৃতি জারি করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালন সমিতির প্রেসিডেন্ট ড. অ্যালান এম গার্বার। এরপরই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করে। শুক্রবার বিচারক অ্যালিসন বরোস ট্রাম্প প্রশাসনের ওই সিদ্ধান্ত স্থগিত করে দেন।

Advertisement

এরপরই রবিবার সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘হার্ভার্ড কেন বলছে না যে তাদের প্রায় ৩১ শতাংশ শিক্ষার্থীই বিদেশি? শুধু তাই নয়, এমন কিছু দেশ যাদের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক একবারেই ভালো নয়, সেই দেশগুলির পড়ুয়ারাও হার্ভার্ডে রয়েছে। আমাদের কেউ সেটা জানায়নি। ওই দেশগুলি তাদের ছাত্রছাত্রীদের জন্য এক পয়সাও খরচ করে না।’ তাঁর সংযোজন, ‘আমরা সেই সমস্ত পড়ুযাদের তথ্য জানতে চাই। হার্ভার্ডের কাছে ৫ কোটি ২০ লক্ষ মার্কিন ডলার রয়েছে। সরকারের কাছে হাত না পেতে তারা সেটা খরচ করুক।’

Advertisement

প্যালেস্টাইনে হামলার প্রতিবাদে আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইজরায়েল-বিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়–সহ্য হয়নি ইজরায়েল-বান্ধব ডোনাল্ড ট্রাম্পের। ইহুদি বিদ্বেষের অভিযোগ তুলে প্রশাসন বেশ কিছু কঠোর নির্দেশ জারি করে। একই সঙ্গে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে দশ দফা নির্দেশনামা পাঠানো হয়। যা পত্রপাঠ খারিজ করেছে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই ধরনের সরকারি হস্তক্ষেপ তারা মানতে নারাজ। তারপরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০ কোটির অনুদান বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। শুধু তা-ই নয়, শিক্ষা দপ্তরের তরফে নোটিস দিয়ে বহু বিজ্ঞানী ও গবেষককে প্রকল্পের কাজ বন্ধ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, ‘দেশদ্রোহী’ আখ্যা দিয়ে তুলে নেওয়া হয়েছে করছাড়ের মর্যাদাও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.