হস্টেলের খাবারে কেন্নো, আরশোলা-সহ প্লাস্টিক, পোকামাকড় থাকার অভিযোগ। দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে বিশ্বভারতীর (Visva Bharati University) পাঠভবন কর্তৃপক্ষকে। খাবারের মান থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যবিধি, পানীয় জল, স্যানিটেশন, পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং আবাসিক পড়য়াদের পড়াশোনার পরিবেশ-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে বারবার সরব হয়েছেন অভিভাবকেরা। সেই আবহেই এবার নড়েচড়ে বসল পাঠভবন কর্তৃপক্ষ।
অভিভাবকদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকে বসে তাঁদের একাধিক প্রস্তাব ও অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস মিলল। রান্নাঘরে বসানো হল সিসিটিভি ক্যামেরাও। ফলে দীর্ঘদিনের অভিযোগের পর পাঠভবনের হস্টেল ব্যবস্থাপনায় বদলের ইঙ্গিত মিলতেই স্বস্তি ফিরছে অভিভাবকদের মধ্যে। সোমবার বিকেলে পাঠভবনের উপনন্দ কুঠিরে কয়েক ঘণ্টা ধরে অভিভাবকদের সঙ্গে বৈঠক করেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ অভিজিৎ বিশ্বভারতীর আধিকারিকেরা। বিতর্কিত অধ্যক্ষের অবসরের পর এই প্রথম অভিভাবকদের নিয়ে এ ধরনের বৈঠক বলেই দাবি অভিভাবকদের।
আরও পড়ুন:
তাঁদের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে হস্টেল সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা হয়নি। এবার কর্তৃপক্ষ নিজে থেকে বৈঠকে বসায় তাঁরা আশাবাদী। বৈঠকে হস্টেলের খাবারের গুণমান রান্নাঘরের স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। অভিভাবকদের দাবি, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে পরিস্থিতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা তৈরি হয়েছে। বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক অতিগ ঘোষ বলেন, “অভিভাবকদের সঙ্গে খুবই সদর্থক আলোচনা হয়েছে। যে সমস্ত প্রস্তাব রেখেছেন, সেগুলি খতিয়ে দেখে পড়ুয়াদের স্বার্থেই বাস্তবায়ন করা হবে।” হস্টেলের খাবার, স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপত্তা নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তার মাঝেই এবার অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনায় বসে পরিস্থিতি বদলের বার্তা মিলল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মহালয়ার আগে কীভাবে কাটাবেন পিতৃদোষ, কবে থেকে শুরু পিতৃপক্ষ?
-
এবার এনসিপিআইতেও ব্রাত্য সুদীপ-কাকলিরা! সিনিয়র সাংসদদের বাদ দিয়েই ঘোষিত জাতীয় কমিটি, তুঙ্গে বিতর্ক
-
ঝকঝকে ক্যামেরা, একবার চার্জে চলবে ৩ দিন! প্যান্ডেল হপিংয়ে সস্তার এই ফোন সঙ্গে থাকা মাস্ট
-
গেরুয়া শিবিরে বসন্ত সমীরণ, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোটে জেন জি উদ্বেগ কাটল বিজেপির!
-
আজ থেকেই বারাকপুরে থামল মা তারা এক্সপ্রেস! বিধায়ক বললেন, ‘ডবল ইঞ্জিনের বেনিফিট’