Donald Trump

ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ মিশিগানের কারখানায়, মধ্যমা দেখালেন রেগে আগুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট!

হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে, বিক্ষোভকারী অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করছিলেন। এরপরই ট্রাম্প তাঁকে 'উপযুক্ত' জবাব দিয়েছেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ১৩:৩৭

options
link
ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ মিশিগানের কারখানায়, মধ্যমা দেখালেন রেগে আগুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট!
ফাইল ছবি।

ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) আর বিতর্ক হাত ধরাধরি করেই চলে। আচমকাই ‘শুল্কবোমা’ প্রয়োগ হোক কিংবা বিতর্কিত আচরণ- মার্কিন প্রেসিডেন্ট আছেন তাঁর মতোই। এই মুহূর্তে ট্রাম্পের এক অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির ভিডিও ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। যদিও সেটার সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল। বিতর্কিত সেই ভিডিওয় এক বিক্ষোভকারীর উদ্দেশে মধ্যমা দেখাতে দেখা গিয়েছে ট্রাম্পকে।

Advertisement

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ট্রাম্প বিক্ষোভকারীর দিকে আঙুল তুলে চিৎকার করছেন। এরপর মধ্যমা দেখাচ্ছেন। তবে এই ঘটনায় জড়িত বিক্ষোভকারীকে এখনও শনাক্ত করা যায়নি। হোয়াইট হাউসের তরফে জানানো হয়েছে, বিক্ষোভকারী অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করছিলেন। এরপরই ট্রাম্প তাঁকে ‘উপযুক্ত’ জবাব দিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বিক্ষোভকারী ট্রাম্পকে ‘শিশুদের যৌন নির্যাতনকারীদের রক্ষক’ বলে তোপ দেগেছিলেন। আর তাতেই মেজাজ হারান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ট্রাম্প বিক্ষোভকারীর দিকে আঙুল তুলে চিৎকার করছেন। এরপর মধ্যমা দেখাচ্ছেন। তবে এই ঘটনায় জড়িত বিক্ষোভকারীকে এখনও শনাক্ত করা যায়নি।

জানা গিয়েছে, মিশিগানে ফোর্ড মোটর কোম্পানিতে অটো প্ল্যান্ট পরিদর্শনে গিয়েছিলেন ট্রাম্প। সেই সময়ই তাঁকে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। কিন্তু কেন ‘শিশুদের যৌন নির্যাতনকারীদের রক্ষক’ বলে আক্রমণ? আসলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের নাম জড়িয়েছে। তাঁরা একসময় ঘনিষ্ঠ ছিলেন বলেই দাবি। মার্কিন হাউসের ওভারসাইট কমিটির ডেমোক্র্যাটরা প্রকাশ করেন জেফ্রি এপস্টিনকে লেখা যৌনগন্ধী চিঠি, যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষর রয়েছে। যদিও এই চিঠি লেখার কথা অস্বীকার করেন ট্রাম্প। এমনকী প্রথমবার চিঠিটি প্রকাশ করা ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর বিরুদ্ধে ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করেন।

Advertisement

ধনকুবের এপস্টেইন বিরুদ্ধে বহু নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে এক নির্যাতিতার অভিযোগের আঙুল ছিল ট্রাম্পের দিকেও। তিনি দাবি করেন, এপস্টেইন ও ট্রাম্প দু’জনই তাঁকে ধর্ষণ করেছিলেন। ধর্ষণ ও নাবালিকা পাচারের ঘটনায় অভিযুক্ত এপস্টেইন মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁর ৪৫ বছরের কারাদণ্ড হত। তার আগেই আত্মহত্যা করেন তিনি। কিন্তু এপস্টেইন ফাইল নিয়ে মামলা চলছে। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্পকে সেই অভিযোগের প্রসঙ্গ তুলে ইঙ্গিত দিতেই মেজাজ হারালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.