Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
CID

সুমিতের সঙ্গে মুখোমুখি জেরায় চরম অসঙ্গতি! সুজয়ের মেদিনীপুরে বাড়িতে তল্লাশি সিআইডির

রবিবার দুপুরে সুজয়কে সঙ্গে নিয়েই ওই তল্লাশি চালানো হয়েছে। তাঁর বাড়ি থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০২৬, ১৯:৩১

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০২৬, ১৯:৩১

options
link
সুমিতের সঙ্গে মুখোমুখি জেরায় চরম অসঙ্গতি! সুজয়ের মেদিনীপুরে বাড়িতে তল্লাশি সিআইডির zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

ডেবরার চাকরি দুর্নীতি মামলায় নতুন মোড়। প্রাক্তন বিধায়ক তথা তৃণমূল নেতা সুজয় হাজরা এবং সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়কে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার পর এবার সিআইডির প্রতিনিধি দল সুজয়ের মেদিনীপুরের বাড়িতে তল্লাশি চালাল। রবিবার দুপুরে সুজয়কে সঙ্গে নিয়েই ওই তল্লাশি চালানো হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিও।

গত ১২ আগস্ট জেলবন্দী প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে ডেবরা চাকরি দুর্নীতি মামলায় নিজেদের হেফাজতে নেয় সিআইডি। এরপর ভবানীভবনে সিআইডি দপ্তরে সুমিত রায় ও সুজয় হাজরাকে সামনাসামনি বসিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে জেরা করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় দু’জনের বয়ানে চরম অসঙ্গতি ও বৈপরীত্য ধরা পড়ে। এরই সূত্র ধরে রবিবার দুপুরে সিআইডির একটি বিশেষ দল ধৃত সুজয় হাজরাকে সঙ্গে নিয়ে মেদিনীপুরের মির্জাবাজারে তাঁর বাসভবনে পৌঁছায়। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে সেখানে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। তল্লাশি শেষে আধিকারিকরা সুজয়ের বাড়ি থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ও নথি বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যান।

Advertisement

উল্লেখ্য, রাজ্যে পালাবদলের পরই মেদিনীপুর প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরা শালবনীর একটি জমি সংক্রান্ত কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেপ্তার হন। পরবর্তীতে তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতি ও অনিয়মের মামলা যুক্ত হতে থাকে। এরমধ্যে রয়েছে ডেবরার চাকরি দুর্নীতি মামলা। শালবনী জমি কেলেঙ্কারি এবং ডেবরা চাকরি দুর্নীতি—দুই মামলাতেই সুমিত রায়ের নাম উঠে এসেছে। ইতিপূর্বে শালবনী থানার পুলিশ সুমিতের সন্ধানে কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনেও তল্লাশি চালিয়েছিল। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর সুমিত রায় আদালত থেকে আইনি রক্ষাকবচ পান। তবে আদালতের নির্দেশ মেনে তদন্তের স্বার্থে তাঁকে ভবানীভবনে হাজিরা দিতে হচ্ছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.