Elon Musk

‘মনে হয়েছিল মরেই যাব’, কোভিড ভ্যাকসিনে হাজারো মৃত্যুর দাবির সপক্ষে এবার মাস্ক

ভারতেও কোভিড টিকার জেরে হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি-সহ নানান দাবি সামনে আসে। বহুবার নানা গবেষণায় দাবি করা হয়, দেশে বহু মানুষ টিকার জেরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার শিকার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৩, ২০২৬, ১৬:১৪

options
link
‘মনে হয়েছিল মরেই যাব’, কোভিড ভ্যাকসিনে হাজারো মৃত্যুর দাবির সপক্ষে এবার মাস্ক
কোভিড ভ্যাকসিনে হাজারো মৃত্যুর দাবির সপক্ষে এবার মাস্ক।

কোভিড ভ্যাকসিন বিতর্কে এবার নয়া মাত্রা যোগ করলেন এলন মাস্ক। এই ভ্যাকসিনে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুকে সমর্থন করে টেসলা কর্তার দাবি, কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পর তাঁর মনে হয়েছিল, তিনি বোধহয় মরেই যাবেন। মাস্কের (Elon Musk) দাবি সামনে আসার পর এই ইস্যুতে বিশ্বজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

Advertisement

জার্মানির সংসদে কোভিড টিকার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন ফাইজারের প্রাক্তন টক্সিকোলজিস্ট ড. হেলমুট স্টার্জ। তিনি দাবি করেন, mRNA ভ্যাকসিনকে অনুমোদন দেওয়া একেবারেই উচিত হয়নি। এই ভ্যাকসিনের জেরে জার্মানিতে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর আরও দাবি, ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত ভ্যাকসিন সবচেয়ে বিপজ্জনক। সম্প্রতি স্টার্জের সেই বক্তব্যের ভিডিও ভাইরাল হয় সোশাল মিডিয়ায়। কোটি কোটি মানুষ ইতিমধ্যেই দেখে ফেলেছেন ভিডিওটি।

Advertisement

জল্পনাকে সমর্থন করে মাস্ক বলেন, “কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পর গুরুতর অবস্থা হয়েছিল আমার। মনে হয়েছিল এবার হয়ত আমি মরেই যাব।”

ভিডিওটি নজরে পড়ে টেসলা কর্তা এলন মাস্কের। এর পরই ভিডিওর সমর্থনে মুখ খোলেন তিনি। এই জল্পনাকে সমর্থন করে মাস্ক বলেন, “কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পর গুরুতর অবস্থা হয়েছিল আমার। মনে হয়েছিল এবার হয়ত আমি মরেই যাব।” এরপরই স্টার্জের বক্তব্যকে সমর্থন করে তিনি বলেন, “এই ভ্যাকসিন নিয়ে এত বিস্ফোরক একটি দাবি করা হল, অথচ সংবাদমাধ্যম বিষয়টি কীভাবে এড়িয়ে গেল। কোথাও বিষয়টিকে প্রকাশ্যে আনা হল না।”

Advertisement

উল্লেখ্য, স্টার্জ দীর্ঘ বছর ধরে ফার্মাসিউটিক্যাল টক্সিকোলজির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। একটা সময় ফাইজারের ইউরোপীয় গবেষণাগারের প্রধান ছিলেন তিনি। ২০০৭ সালে সেখান থেকে অবসর নিয়েছিলেন স্টার্জ। এই ঘটনার বহু বছর পর জার্মান সংসদে কোভিড-১৯ পর্যালোচনা কমিশনে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন তিনি। যেখানে ফাইজার বায়োএনটেকের mRNA ভ্যাকসিন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই টিকা অনুমোদনের আগে ক্যানসার বা প্রজনন ঝুঁকি সংক্রান্ত পর্যাপ্ত পরীক্ষা করা হয়নি। এক জার্মান সংস্থার রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল টিকা নেওয়ার পর প্রায় ২১৩৩ জনের মৃত্যু হয়। যদিও এই মৃত্যু টিকা নেওয়ার কারণেই হয়েছিল এমন কোনও প্রমাণ নেই।

ভারতেও কোভিড টিকার জেরে হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি-সহ নানান দাবি সামনে আসে। বহুবার নানা গবেষণায় দাবি করা হয়, দেশে হৃদরোগের বাড়বাড়ন্তের নেপথ্যে রয়েছে এই টিকা। এমনকী সারা দেশে বহু মানুষ টিকার জেরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার শিকার। এবার সেই দাবির সপক্ষে সুর তুললেন খোদ এলন মাস্ক।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.