Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Women Reservation Bill

‘আড়ালে গণতন্ত্র ধ্বংসের ছক’, মহিলা সংরক্ষণ বিল পাশে মোদি সরকারের ‘তাড়া’ নিয়ে উদ্বিগ্ন সোনিয়া

২০২৩ সালে ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ বিল পাশ হয়েছিল সংসদে। সেই বিল সংশোধনে বিশেষ অধিবেশন ডেকেছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের 'হুড়োহুড়ি' নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সোনিয়া।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৪, ২০২৬, ১৬:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৪, ২০২৬, ১৬:৪২

options
link
‘আড়ালে গণতন্ত্র ধ্বংসের ছক’, মহিলা সংরক্ষণ বিল পাশে মোদি সরকারের ‘তাড়া’ নিয়ে উদ্বিগ্ন সোনিয়া zoom
ফাইল ছবি।

তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গে জোরকদমে চলছে নির্বাচনী প্রচার। তারমধ্যেই মহিলা সংরক্ষণ বিল পাস (Women Reservation Bill) করাতে বিশেষ অধিবেশন ডেকেছে মোদি সরকার। কেন্দ্রের এহেন আচরণকে তুলোধোনা করেছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi)। তাঁর মতে, এই নতুন বিলের আড়ালে আসলে গণতন্ত্রকে হত্যার চেষ্টা চলছে। আঘাত আসতে চলেছে ভারতীয় সংবিধানের উপর।

চলতি সপ্তাহের ১৬, ১৭ ও ১৮ এপ্রিল বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে। ২০২৩ সালে ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ বিল পাশ হয়েছিল সংসদে। বিলে উল্লেখিত ছিল, মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। এখন এই বিলে সংশোধনী আনতে চাইছে কেন্দ্র। ২০২৩ সালে পাশ হওয়া বিলে উল্লেখ ছিল, জনগণনার পরে আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। তারপর ওই আসনের ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষিত রাখা হবে মহিলাদের জন্য। কিন্তু এখন কেন্দ্র চাইছে, ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। এই সংশোধনী নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন সোনিয়া।

Advertisement

একটি সম্পাদকীয়তে কংগ্রেস নেত্রী প্রশ্ন তুলেছেন, ‘২০২১ সালে জনগণনা হওয়ার কথা ছিল। সেটাকে ইচ্ছাকৃতভাবে পিছিয়ে চলেছে মোদি সরকার। অতীতে জনগণনার ভিত্তিতেই আসন পুনর্বিন্যাস হয়ে এসেছে। কিন্তু মোদি সরকার চাইছে, জনগণনার আগেই আসন পুনর্বিন্যাস হোক। জাতিগত গণনার কোনও প্রভাব যেন আসন পুনর্বিন্যাসের ক্ষেত্রে না পড়ে, সেটা নিশ্চিত করতে আদমসুমারির রিপোর্ট প্রকাশ আরও পিছিয়ে দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।’ সোনিয়ার আশঙ্কা, এইভাবে আসন পুনর্বিন্যাস হলে বহু রাজ্যের গুরুত্ব হ্রাস পেতে পারে।

বিল পাশ করাতে কেন্দ্রের ‘হুড়োহুড়ি’ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সোনিয়া। সম্পাদকীয়তে লিখেছেন, ‘কংগ্রেস চেয়েছিল ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন থেকেই কার্যকর হোক মহিলা সংরক্ষণ। সেটা কেন্দ্র হতে দেয়নি। যখন দুই রাজ্যে জোরকদমে ভোটের কার্যাবলি চলছে, সেই সময়ে কেন তাড়াহুড়ো করে বিল পাশ করাতে চাইছে কেন্দ্র? কয়েকদিন পরে বাদল অধিবেশন পর্যন্ত অপেক্ষা করা গেল না কেন?’ সোনিয়ার কথায়, অধিবেশন ডাকা হলেও সাংসদদের এখনও জানানো হয়নি, ঠিক কী কী বিষয়ে আলোচনা হবে এই অধিবেশনে। তাঁর আশঙ্কা, আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে কোনও প্রস্তাব পেশ হবে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠতাকে কাজে লাগিয়ে সেই প্রস্তাব পাশ করিয়ে নেওয়ার ছক কষছে মোদি সরকার। সেই বিষয়টি ভারতীয় গণতন্ত্রের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক বলেই মনে করছেন সোনিয়া।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.