Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Maoist Leader Killed

অস্তাচলে লাল সূর্য! ছত্তিশগড়ের গভীর জঙ্গলে এনকাউন্টারে খতম শীর্ষ মাও নেত্রী

দেশে নকশালপন্থীদের শিরদাঁড়া ভেঙে গেলেও এখন কিছু মাওবাদী অবশিষ্ট রয়ে গিয়েছেন বলে জানাচ্ছে পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৩, ২০২৬, ১৭:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৩, ২০২৬, ১৭:১৭

options
link
অস্তাচলে লাল সূর্য! ছত্তিশগড়ের গভীর জঙ্গলে এনকাউন্টারে খতম শীর্ষ মাও নেত্রী zoom
নিহত মাও নেত্রীর স্বামীও ছিলেন মাও নেতা।

ছত্তিশগড়ের বস্তার অঞ্চলে এক এনকাউন্টারে খতম শীর্ষ মাও নেত্রী রুপি (Maoist Leader Killed)। তাঁর স্বামীও ছিলেন মাও নেতা। তিনি মারা যান গত বছর। এবার পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হল তাঁর স্ত্রীরও। ক্রমশ ফিকে হয়ে আসা মাও আন্দোলনে কাঙ্কের জেলার এই এনকাউন্টারকে অনেকেই ‘কফিনের শেষ পেরেক’ মনে করছেন। ওই অঞ্চলে আর সামান্যই মাওবাদী রয়েছেন। প্রশাসনের তরফে হুঁশিয়া দেওয়া হয়েছে, আর বেশি সময় হাতে নেই। তাই বাকিরাও দ্রুত আত্মসমর্পণ করুন।

জানা গিয়েছে, বাহিনীর কাছে আগেই খবর ছিল ওই এলাকায় মাওবাদীরা লুকিয়ে আছেন। সেইমতো পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ বাহিনী তল্লাশি শুরু করে। আচমকাই শুরু হয় গুলির লড়াই। পরে দেখা যায় একটি নিথর সেখানে পড়ে আছেন। তাঁকে মাও নেত্রী রুপি বলে শনাক্ত করা হয়েছে। রুপি ছিলেন বস্তারে শেষ জীবিত তেলুগু মাওবাদীদের অন্যতম। পুলিশ জানিয়েছে, বারবার আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছিল রুপিকে। তাঁর স্বামী বিজয় রেড্ডি ছিলেন দণ্ডকারণ্য স্পেশাল জোনাল কমিটির নেতা। ২০২৫ সালে এক এনকাউন্টারে তিনিও নিহত হয়েছেন। এরপর থেকে রুপিকেও বারবার আত্মসমর্পণের আহ্বান করা হলেও তিনি সশস্ত্র আন্দোলন চালানোরই সিদ্ধান্ত নেন। অবশেষে সোমবার মৃত্যু হল তাঁর।

Advertisement

বাহিনীর কাছে আগেই খবর ছিল ওই এলাকায় মাওবাদীরা লুকিয়ে আছেন। সেইমতো পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ বাহিনী তল্লাশি শুরু করে। আচমকাই শুরু হয় গুলির লড়াই। পরে দেখা যায় একটি নিথর সেখানে পড়ে আছেন। তাঁকে মাও নেত্রী রুপি বলে শনাক্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, দেশকে মাওবাদী মুক্ত করতে ৩১ মার্চের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সেই সময়সীমা স্মরণ করিয়ে শাহ বলেন, “দেশের ১২টি রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় নিজেদের কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছিল মাওবাদীরা। আমরা এই মাওবাদকে সম্পূর্ণ নিকেশ করার কথা বলেছিলাম। অবশ্যই এই কাজ সহজ ছিল না। মাত্র ৩ বছরের মধ্যে আমরা যে এত বড় কাজ শেষ করতে পারব সত্যিই এটা কল্পনা করতে পারিনি। আমি নিরাপত্তাবাহিনীর কাজের নিরিখেই বলতে পারি, ৩১ মার্চের মধ্যেই আমরা দেশ থেকে মাওবাদকে সম্পূর্ণ নির্মূল করে দেব।” ইতিমধ্যে অধিকাংশ মাও শীর্ষ নেতারা হয় নিহত অথবা আত্মসমর্পণ করেছেন। কার্যত দেশে নকশালপন্থীদের শিরদাঁড়া ভেঙে গিয়েছে। কিন্তু এখনও কিছু অবশিষ্ট রয়েছেন। বারবার বলার পরও তাঁরা আত্মসমর্পণ করছেন না বলেই দাবি।

বস্তার অঞ্চলের পুলিশ কর্তা সুন্দররাজ পট্টিঙ্গাম বলেছেন, ”সরকার ধারাবাহিকভাবে মাওবাদী ক্যাডারদের আত্মসমর্পণ এবং নিজেদের জীবন পুনর্গঠনের সুযোগ দিয়ে আসছে। অনেকেই সেই পথ বেছে নিয়েছেন। কিন্তু যাঁরা সহিংসতার পথেই অটল রয়েছেন, তাঁদের পরিণতিও হচ্ছে একই।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.