যুদ্ধের ঘনঘটা
Hormuz

এসপার নয় উসপার! বন্ধ হরমুজ খুলতে মিত্রশক্তিকে রণতরী পাঠানোর আহ্বান ‘কোণঠাসা’ ট্রাম্পের

ট্রাম্পের দাবি, এই সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলি ইতিমধ্যেই যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২৬, ২২:৩২

options
link
এসপার নয় উসপার! বন্ধ হরমুজ খুলতে মিত্রশক্তিকে রণতরী পাঠানোর আহ্বান ‘কোণঠাসা’ ট্রাম্পের
ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি।

হয় এসপার নয় উসপার! যে কোনও মূল্যে ইরানের হাত থেকে মুক্ত করা হবে হরমুজ প্রণালী! এমনই লক্ষ্য নিয়ে এবার পশ্চিম এশিয়ায় রণতরী পাঠানোর জন্য মিত্রশক্তিগুলির কাছে আবেদন জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুধু তাই নয় ট্রাম্পের দাবি, এই সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলি ইতিমধ্যেই যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে।

Advertisement

শনিবার সোশাল মিডিয়ায় এক দীর্ঘ বার্তা দিয়েছেন ট্রাম্প যেখানে তিনি লেখেন, ‘একাধিক দেশ, বিশেষ করে যারা হরমুজ প্রণালী বন্ধে ক্ষতিগ্রস্ত তারা আমেরিকাকে সাহায্য করবে। এবং ওই জলপথ খুলতে যুদ্ধ জাহাজ পাঠাবে। আমরা ইতিমধ্যেই ইরানের সামরিক ক্ষমতা ১০০ শতাংশ নষ্ট করে দিয়েছি। তারপরও ওরা যতই পরাজিত হোক না কেন, ওই জলপথে ওদের পক্ষে দু’একটি ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন বা মাইন হামলা চালানো অস্বাভাবিক নয়।’ তা রুখতেই মিত্র শক্তির কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন ট্রাম্প।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিজের সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে তিনি আরও লেখেন, ‘আশা করি চিন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রিটেন যারা হরমুজ বন্ধের জেরে প্রভাবিত তারা ওই অঞ্চলে জাহাজ পাঠাবে। ওদের (ইরান) মাথা আমরা ইতিমধ্যেই কেটে ফেলেছি, তারপরও যাতে কোনও হামলার ঘটনা না ঘটে তার জন্যই এই পদক্ষেপ করা উচিত।’ ট্রাম্প আরও জানান, ‘আমেরিকা সমুদ্র থেকে ইরানি জাহাজগুলিতে বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাবে। এবং যে কোনও উপায়ে হরমুজ প্রণালীকে মুক্ত ও নিরাপদ করে তুলব।’

Advertisement

ট্রাম্প লেখেন, ‘আশা করি চিন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রিটেন যারা হরমুজ বন্ধের জেরে প্রভাবিত তারা ওই অঞ্চলে জাহাজ পাঠাবে।’

উল্লেখ্য, তৈল ধমনী হরমুজে মিসাইল তাক করে রেখেছে ইরান। হুঁশিয়ারি দিয়ে জানানো হয়েছে, এক লিটার তেলও পশ্চিম এশিয়ার বাইরে যাবে না। এই ঘটনায় গোটা বিশ্বের তেল সরবরাহ ধাক্কা খাওয়ার পাশাপাশি হু হু করে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। গোটা পরিস্থিতিতে প্রবল চাপের মুখে আমেরিকা। উপায়ান্ত না দেখে আপাতত রুশ তেল কেনায় ছাড়পত্র দিয়েছেন ট্রাম্প। যা নিয়েও বিতর্ক শুরু হয়েছে। অর্থাৎ হরমুজ বন্ধ করার রণকৌশলে আমেরিকাকে নাকের জলে, চোখের জলে করে ছেড়েছে ইরান। কঠিন এই পরিস্থিতিতে ‘সুপার পাওয়ার’ আমেরিকার মান যাওয়ার দশা। এই অবস্থা থেকে রেহাই পেতে এবার মিত্রশক্তির দ্বারস্থ হলেন ট্রাম্প।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.