Iran War

ইরান যুদ্ধে কত খরচ করেছে আমেরিকা? হিসাব দিল পেন্টাগন

গত মার্চ মাসে একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, ইরানে হামলার পর প্রথম ১০০ ঘণ্টায় আমেরিকার খরচ হয়েছে ৩.৭ বিলিয়ন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৩১০০০ কোটি। আমেরিকার থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (CSIS)-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রথম ১০০ ঘণ্টায় খরচ ধরা হয়েছিল ৮৯১ ডলার প্রতিদিন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২৬, ১৯:২০

options
link
ইরান যুদ্ধে কত খরচ করেছে আমেরিকা? হিসাব দিল পেন্টাগন
যুদ্ধ ক্ষতবিক্ষত ইরান। ছবি: সংগৃহীত।

ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন সিংহ গর্জন’ শুরু করেছে আমেরিকা ও ইজরায়েল। যৌথ হামলায় মৃত্যু হয়েছে সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের-সহ ইরানের আরও শীর্ষ নেতাদের। তবে এই যুদ্ধের মাশুল আর্থিকভাবে গুনতে হচ্ছে আমেরিকাকে। এখনও পর্যন্ত ইরান যুদ্ধে কত খরচ করেছে ওয়াশিংটন? হিসাব দিল পেন্টাগন।

Advertisement

মঙ্গলবার মার্কিন কংগ্রেসে একটি রিপোর্ট পেশ করেছে পেন্টাগন। সেখানে দাবি করা হয়েছে, ইরানের যুদ্ধে মোট ব্যায়ের অঙ্ক ২৯০০ কোটি ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ২ লক্ষ ৭৮ হাজার কোটি টাকা, যা আনুমানিক ব্যায়ের তুলনায় অনেকটা বেশি বলেও উল্লেখ করা হয়েছে ওই রিপোর্টে। পেন্টাগনের ভারপ্রাপ্ত কন্ট্রোলার জুলস হার্স্ট বলেন, “এখনও পর্যন্ত এই যুদ্ধে ২৯ বিলিয়ান ডলার খরচ হয়েছে। অধিকাংশ অর্থ সামরিক সরঞ্জাম মেরামত এবং গোলাবারুদের পিছনে খরচ হয়েছে।” এদিকে অস্ত্রের মজুদ হ্রাস, যুদ্ধের ক্রমবর্ধমান ব্যয় নিয়ে এদিন সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।

Advertisement

গত মার্চ মাসে একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, ইরানে হামলার পর প্রথম ১০০ ঘণ্টায় আমেরিকার খরচ হয়েছে ৩.৭ বিলিয়ন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৩১০০০ কোটি। আমেরিকার থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (CSIS)-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রথম ১০০ ঘণ্টায় খরচ ধরা হয়েছিল ৮৯১ ডলার প্রতিদিন। অর্থাৎ রোজ ৯০ কোটি ডলার। বিশেষজ্ঞদের দাবি অনুযায়ী, যুদ্ধের শুরুতে খরচ পড়ে সর্বাধিক। মূল্যবান অস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্র ও অত্যধিক দাবি সব বোমা ব্যবহার করা হয়েছে এই যুদ্ধে।

Advertisement

রিপোর্ট বলছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরকারকে মার্কিন কংগ্রেসের কাছ থেকে অতিরিক্ত বাজেট অনুমোদন নিতে হতে পারে। এদিকে আমেরিকায় ব্যাপক মুদ্রাস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও তেলের দামবৃদ্ধির জেরে সেই অনুমোদন পেতে যথেষ্ট বেগ পেতে হবে ট্রাম্প সরকারকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.