COVID-19

করোনা রোগীকে ‘জাদু কি ঝাপ্পি’! একাকীত্বে ভুগতে থাকা বৃদ্ধের কান্না থামালেন চিকিৎসক

স্ত্রীর থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০২০, ১৫:০৯

options
link
করোনা রোগীকে ‘জাদু কি ঝাপ্পি’! একাকীত্বে ভুগতে থাকা বৃদ্ধের কান্না থামালেন চিকিৎসক

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মনে পড়ে, সুপারহিট  ছবি ‘মুন্নাভাই এমবিবিএস’-এর সেই ‘জাদু কি ঝাপ্পি’? এই করোনাকালে ফিরে এল সেই দৃশ্যই। তবে সেলুলয়েডে নয়, বাস্তব জীবনে। স্ত্রীকে ছেড়ে হাসপাতালে থাকার সময় একাকীত্বে ভুগছিলেন এক করোনা আক্রান্ত বৃদ্ধ (COVID-19 patient)। তাঁর কান্না দেখে ছুটে এলেন এক চিকিৎসক। বুকে জড়িয়ে ধরলেন তাঁকে। সেই জাদু-পরশের ছবি দেখে মুগ্ধ নেটিজেনরা। ঘটনা আমেরিকার হাউস্টনের (Houston)।

Advertisement

আমেরিকার ইউনাইটেড মেমোরিয়াল মেডিক্যাল কেয়ারের ওই চিকিৎসকের নাম ড. জোসেফ ভারন। ঠিক কী ঘটেছিল সেদিন? ড. জোসেফ জানিয়েছেন, করোনা আইসিইউ-তে ঢুকতে গিয়ে এক অসহায় বৃদ্ধকে দেখতে পান তিনি। যিনি নিজের বেড থেকে নেমে তাঁর রুম থেকে বেরনোর চেষ্টা করছিলেন। তাঁর কথায়, ‘‘উনি বারবার বলছিলেন, স্ত্রীর কাছে যাওয়ার কথা। শুনে আমি ওঁকে জড়িয়ে ধরেছিলাম বুকের মধ্যে। উনি কেবলই কাঁদছিলেন। তবে আমার আলিঙ্গনের পর একটু একটু করে কান্না কমে গিয়েছিল। আসলে উনি একটা ঘরে দিনরাত বন্দি হয়ে আছেন, যেখানে সকলেই তাঁর অচেনা।’’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন : OMG! দাউদের ‘প্রেমিকা’ হয়েও তরুণ পাক রাজনীতিবিদকে মন দিলেন পাক অভিনেত্রী!]

পিপিই কিট পরলে তাঁদের মহাকাশচারীর মতো দেখতে লাগে। সেই জন্যই তিনি রোগীদের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময় সঙ্গে তাঁর ছবি রাখেন। যাতে জবরজং পোশাকের আড়ালে থাকা চিকিৎসককে চিনে নিতে পারেন সকলে। একথা নিজেই জানিয়েছেন ওই সহৃদয় চিকিৎসক। গত ২৫২ দিন টানা তিনি কাজ করেছেন। ছুটি নেননি একদিনও। এভাবে একটা ঘরে বন্দি হয়ে থাকা যে রোগীদের পক্ষে মারাত্মক অবসাদের, সেকথা স্বীকার করে নিচ্ছেন ড. জোসেফ। তাই ওই বৃদ্ধকে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়তে দেখে তাঁকে জড়িয়ে ধরতে সংকোচ করেননি তিনি। সেই অমূল্য মুহূর্তটি লেন্সবন্দি করে ফেলেন ফোটোগ্রাফার গো নাকামুরা। ছবিটি ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন : ‘একদম ঠিক হয়েছে, হামলাকারীদের পুরস্কার পাওয়া উচিত’, দাবি ২৬/১১ মুম্বই হানার অন্যতম চক্রীর]

বহু সময়ই চিকিৎসকদের অসংবেদনশীলতার নানা অভিযোগ ওঠে। তারই সমান্তরালে অতিমারীর পৃথিবীতে রোগীর প্রতি এক চিকিৎসকের অবিমিশ্র স্নেহস্পর্শের প্রতীক হয়ে রইল এই ছবি। আবারও তা বুঝিয়ে দিল, অমানবিকতার পাশেই হাত ধরাধরি করে থাকে মানবিকতা। সময়ে তার প্রকাশ ঘটে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.