এস জয়শংকর

‘লালফৌজের প্ররোচনামূলক আগ্রাসনই মূল সমস্যা’, চিনের বিদেশমন্ত্রীকে বললেন জয়শংকর

সমস্যা মেটাতে ৫ দফার পরিকল্পনায় সম্মতি দুই দেশের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২০, ০৮:৫১

options
link
‘লালফৌজের প্ররোচনামূলক আগ্রাসনই মূল সমস্যা’, চিনের বিদেশমন্ত্রীকে বললেন জয়শংকর

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ লাদাখ সীমান্তে উত্তেজনা নিয়ে ভারত ও চিনের বিদেশমন্ত্রক স্তরের বৈঠকেও স্পষ্ট কোনও সমাধানসূত্র পাওয়া গেল না। তবে, দুই দেশ এদিন ৫ দফার একটি পরিকল্পনায় ঐক্যমত হয়েছে। আগামী দিনে এই পাঁচটি বিষয় মেনে চলার অঙ্গীকারও করেছে।

Advertisement

সীমান্তে যুদ্ধের আবহেই গতকাল মস্কোতে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর (S Jayashankar) এবং চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ওয়াই (Wang Yi) জরুরি বৈঠকে বসেন। দিন তিনেক আগে এই সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (‌Shanghai Cooperation Organisation)‌ সামিটেই দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রক স্তরে বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠক ফলপ্রসু হয়নি। তাই বৃহস্পতিবারের বৈঠকে নজর ছিল গোটা বিশ্বের। নেপথ্যে থেকে রাশিয়াও চাইছিল দুই দেশের সমস্যার একটা সমাধানসূত্র বের হোক। কারণ রাশিয়া চায় না, ভারত ও চিনের এই সমস্যার জন্য কোনওভাবে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন ভেঙে যাক।

[আরও পড়ুন: মিটবে সংঘাত! রুশ পৌরহিত্যে মস্কোয় চিনা বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক জয়শংকরের]

এদিনের বৈঠকে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর চিনা বিদেশমন্ত্রীকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, সীমান্তের বর্তমান উত্তেজনার জন্য দায়ী চিনা সেনার (PLA) আগ্রাসী এবং প্ররোচনামূলক আচরণ। জয়শংকর বলেন, চিনা সেনার এই আচরণ দুই দেশের মধ্যেকার যাবতীয় চুক্তি এবং প্রটোকলের পরিপন্থী। সীমান্তে চিনের যে বিশাল সেনা মোতায়েন আছে, তা নিয়েও আপত্তি তোলেন বিদেশমন্ত্রী। সাফ জানিয়ে দেন,”সীমান্তে চিনের বিশাল সেনা আসলে ১৯৯৩ এবং ১৯৯৬ সালে হওয়া দ্বিপাক্ষিক চুক্তির অসম্মান। চিনারা এই বিপুল সেনা মোতায়েনের উপযুক্ত কোনও কারণ দেখাতে পারেনি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

[আরও পড়ুন: ‘‌সমলিঙ্গে বিবাহের জন্যই ছড়িয়েছে করোনা’, বিতর্কিত মন্তব্য করা ধর্মগুরুই এবার আক্রান্ত]

শেষপর্যন্ত দুই দেশ একটি পাঁচ দফার পরিকল্পনায় সম্মত হয়েছে। এই পাঁচ দফার পরিকল্পনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, কোনওভাবেই মতপার্থক্যকে বিবাদে পরিণত না করা। সমস্ত দ্বিপাক্ষিক চুক্তি মেনে চলা। সীমান্তে টহলদারির সময় সমস্ত প্রোটকল মেনে চলা এবং আলোচনা চালিয়ে যাওয়া। সীমান্তে শান্তি বজায় রাখা, এবং সমস্যা বাড়তে পারে এমন কোনও পদক্ষেপ না করা। এই পাঁচ পয়েন্টে সম্মত হলেও এদিনের বৈঠকে সেনা প্রত্যাহার নিয়ে কোনও রফাসূত্র মেলেনি। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন