China Manas Sarovar

মানস সরোবর যাত্রায় ভারতীয় পুণ্যার্থীদের আটকে দিল চিন! ট্যুর অপারেটরদের তোপ কেন্দ্রের

২০২০ সালে কোভিড অতিমারীর কারণে এই যাত্রা বন্ধ হয়ে যায়। তারপর গালওয়ান সংঘাতের জেরে ব্যাপক অবনতি ঘটে ভারত-চিন সম্পর্কে। দুই কারণেই ২০২৩ সাল পর্যন্ত বন্ধ থাকে কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৮, ২০২৬, ১৪:৪২

options
link
মানস সরোবর যাত্রায় ভারতীয় পুণ্যার্থীদের আটকে দিল চিন! ট্যুর অপারেটরদের তোপ কেন্দ্রের
জুন মাস থেকেই শুরু হয় মানস সরোবর যাত্রা। অনেক সময়ই পুণ্যার্থীরা ভরসা রাখেন ট্যুর অপারেটরদের উপর।

দীর্ঘ চার বছর পর ভারতীয়দের জন্য খুলেছে মানস সরোবরের দরজা। গত বছরের মতো এবারও সেখানে ভিড় জমিয়েছেন পুণ্যার্থীরা। কিন্তু সীমান্তে এসে বড়সড় সমস্যায় পড়েছেন ভারতীয় পুণ্যার্থীদের একাংশ। জানা গিয়েছে, অনেকের কাছেই চিনে পা রাখার প্রয়োজনীয় নথিপত্র নেই। তার ফলে নেপালেই আটকে পড়ছেন পুণ্যার্থীরা। গোটা পরিস্থিতি দেখে পুণ্যার্থীদের জন্য বিবৃতি জারি করেছে বিদেশমন্ত্রক।

Advertisement

জুন মাস থেকেই শুরু হয় মানস সরোবর যাত্রা। অনেক সময়ই পুণ্যার্থীরা ভরসা রাখেন ট্যুর অপারেটরদের উপর। যাত্রার যাবতীয় বন্দোবস্ত, নেপাল এবং চিনে প্রবেশের পারমিট-সমস্ত কিছুর দায়িত্ব থাকে এই অপারেটরদের। কিন্তু এই অপারেটরদের নিয়ে সতর্ক থাকা উচিত বলে জানানো হয়েছে বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতিতে। সঙ্গে আরও বলা হয়েছে, ভারত থেকে মানস সরোবরের যাত্রা শুরু করার আগে যাবতীয় নথিপত্র খুঁটিয়ে দেখে নিতে হবে। কনফার্ম হওয়া নথিপত্র এবং পারমিট নিয়ে তবেই যাত্রা শুরুর পরামর্শ কেন্দ্রের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অনেক সময়ই ট্যুর অপারেটরদের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়, নেপালে পৌঁছলে চিনে প্রবেশের অনুমতিপত্র মিলবে। কিন্তু বাস্তবে তেমনটা হয় না। সেকারণেই নেপালে গিয়ে অন্তত ৫২ জন পুণ্যার্থী আটকে পড়েছেন। বিদেশমন্ত্রকের সতর্কবার্তা, পারমিট পেয়ে যাওয়ার আশা নিয়ে যেন কেউ যাত্রা শুরু না করেন। একই সঙ্গে ট্যুর অপারেটরগুলি আদৌ বৈধ কিনা, সেটাও খতিয়ে দেখতে অনুরোধ করা করেছে বিদেশমন্ত্রক। উল্লেখ্য, নেপালে পুণ্যার্থীদের আটকে পড়ার বিষয়টি এক্স হ্যান্ডেলে তুলে ধরেন সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে। তারপরেই বিবৃতি জারি করেছে বিদেশমন্ত্রক।

Advertisement

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে কোভিড অতিমারীর কারণে এই যাত্রা বন্ধ হয়ে যায়। তারপর গালওয়ান সংঘাতের জেরে ব্যাপক অবনতি ঘটে ভারত-চিন সম্পর্কে। দুই কারণেই ২০২৩ সাল পর্যন্ত বন্ধ থাকে কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রা। তবে ২০২৪ সালে গত বছর প্রচুর কড়াকড়ি চাপিয়ে চিনের তরফে এই যাত্রা শুরুর প্রস্তাব দেওয়া হয়। ফলে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায় যাত্রার খরচ। তবে গত বছর থেকে ভারত-চিন সম্পর্কে কিছুটা উন্নতি হয়েছে, ভারতীয় পুণ্যার্থীদের ভিড় বেড়েছে মানস সরোবরে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.