Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
Pune

৩ বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণ করে খুন, আদালতে ফাঁসির সাজা ৬৫-র বৃদ্ধকে

আদালত এই অপরাধকে 'বিরলের মধ্যে বিরলতম' বলে উল্লেখ করেছে। জানিয়ে দিয়েছে, যে অপরাধ ওই বৃদ্ধ করেছে, তার সঙ্গে দয়ামায়ার কোনও সম্পর্ক নেই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২৬, ১৯:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২৬, ১৯:১০

options
link
৩ বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণ করে খুন, আদালতে ফাঁসির সাজা ৬৫-র বৃদ্ধকে zoom
ফাইল চিত্র
Advertisement

৩ বছরের এক শিশুকন্যাকে ধর্ষণ করে খুনের অপরাধে ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধকে ফাঁসির সাজা শোনাল পুণের আদালত। এই অপরাধকে ‘বিরলের মধ্যে বিরলতম’ আখ্যা দিয়ে আদালত জানিয়েছে, যে অপরাধ ওই বৃদ্ধ করেছে, তার সঙ্গে দয়ামায়ার কোনও সম্পর্ক নেই।
অপরাধীর নাম ভীমরাও কাম্বলে। জানা গিয়েছে, গত ১ মে পুণের নাসরাপুরের বাসিন্দা ওই ব্যক্তি ছোট্ট মেয়েটিকে খাবার ও সদ্যোজাত বাছুর দেখানোর লোভ দেখিয়ে স্থানীয় এক খাটালে নিয়ে যায়। আর সেখানেই তার সঙ্গে পাশবিক আচরণ করে। এরপর তার মুখ চেপে শ্বাসরোধ করে খুনও করে।

বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে শিশুটি যথাসময়ে বাড়ি না ফেরার পরে। তার পরিবার সবদিকে খোঁজাখুঁজি করার সময় দেহটি খুঁজে পায়। এরপর তদন্তকারীরা সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখতেই নজরে পড়ে কাম্বলে মেয়েটিকে সঙ্গে করে নিয়ে যাচ্ছে পথ দিয়ে। এতেই তার বিরুদ্ধে সন্দেহ গাঢ় হয়। দ্রুত তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

Advertisement

জেলা ও দায়রা আদালতে মামলা উঠলে সরকারি আইনজীবী জানান, এক্ষেত্রে যে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা নিঃসন্দেহে ‘বিরলের মধ্যে বিরলতম’। এই দাবির সঙ্গে সহমত হন বিচারক। জানিয়ে দেন, এই অপরাধের ক্ষেত্রে কোনও অনুকম্পাই দেখানো সম্ভব নয়। শিশুটির শরীরে আঘাতের চিহ্নের কথা উল্লেখ করে জানানো হয়, এই অপরাধ কতটা অমানবিক তা এখান থেকে বোঝা যাচ্ছে। কাম্বলের মধ্যে বিচার চলাকালীন কোনও রকমের অনুশোচনা দেখা যায়নি বলেও উল্লেখ করেন তিনি। শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করার সময় বিচারক মন্তব্য করেন, কামনা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যেই সংঘটিত এই অপরাধ। এবং এতে এক ‘নিরপরাধ ও অসহায় শিশুকে’ নৃশংসভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, “এমন বয়সেও অভিযুক্তের লালসার তৃষ্ণা মেটেনি। বরং তা অত্যন্ত বিপজ্জনক এক পর্যায়ে পৌঁছেছে। নির্যাতিতার শরীরে যে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, তা মাত্র তিন বছরের একটি শিশুর প্রতি অভিযুক্তের অমানবিক আচরণকেই প্রতিফলিত করে।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.