সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গাজা (Gaza) ভূখণ্ডের সংঘর্ষে মৃত্যু হল ভারতীয় বংশোদ্ভূত সৈনিকের। হামাসের আক্রমণের মোকাবিলা করতে গিয়েই শহিদ হয়েছেন তিনি। চলতি সপ্তাহেই গাজায় তিন সেনার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছিল ইজরায়েল। সেই তালিকাতেই রয়েছে ভারতীয় বংশোদ্ভূতের নামও। সংঘর্ষের প্রথম থেকেই গাজার যুদ্ধক্ষেত্রে ছিলেন তিনি।
জানা গিয়েছে, মৃত সেনাকর্মীর নাম গিল ড্যানিয়েলস। জন্ম থেকেই ইজরায়েলের (Israel) বাসিন্দা তিনি। গত ১০ অক্টোবর থেকেই গাজার যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুপক্ষের মোকাবিলা করেছেন। তবে ৬ ডিসেম্বর শত্রুদের হানায় মৃত্যু হয় গিলের। কীভাবে গিল-সহ তিনজন সেনাকর্মীর মৃত্যু হল, তা অবশ্য জানা যায়নি। বুধবার তাঁদের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে বলেই খবর।
[আরও পড়ুন: ‘বিলাস চাই’, আমেরিকায় ফুটবল ক্লাব থেকে ১৮০ কোটি হাতালেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত যুবক]
মহারাষ্ট্র থেকে ইজরায়েলে পাড়ি দিয়েছিলেন গিলের পূর্বপুরুষরা। তবে গিলের বেড়ে ওঠা ইজরায়েলেই। মাকিফ গিমেল স্কুলের পর হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন তিনি। যুদ্ধের ঠিক আগেই বাগদানও সেরে ফেলেছিলেন। কিন্তু হামাসের হামলায় শহিদ হলেন ৩৪ বছরের যুবক। তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়ে শোকাহত গিলের বন্ধু থেকে শুরু করে স্কুলের সহপাঠীরা। উল্লেখ্য, প্রায় দুমাস ধরে চলছে ইজরায়েল-হামাস সংঘর্ষ। সেখানে প্রাণ হারিয়েছেন ৮৬ জন ইজরায়েলি সেনা।
প্রসঙ্গত, ৭ অক্টোবর হওয়া হামলার বদলা নিতে হামাসকে (Hamas) চিরতরে মুছে ফেলার পণ করেছে ইজরায়েল। জঙ্গিদের নিকেশ করতে গাজায় তীব্র আক্রমণ শানাচ্ছে ইজরায়েলি ফৌজ। ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে জঙ্গিদের একের পর এক ডেরা। উত্তর গাজাকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর এবার তেল আভিভের নজর পড়েছে দক্ষিণ গাজায়। সেখানেও হামলা চালানো হচ্ছে। ইহুদি দেশটির আক্রমণে ইতিমধ্যেই মৃতের সংখ্যা ১৫ হাজার পেরিয়ে গিয়েছে।
[আরও পড়ুন: চলছিল হিন্দি সিনেমা, পর পর কানাডার তিন থিয়েটারে অজানা গ্যাস হামলা!]
সর্বশেষ খবর
-
প্রথমবার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় কানাডা, ‘তোমরাই নায়ক’, ঐতিহাসিক জয়ে উচ্ছ্বসিত কোচ
-
৭০ লক্ষ টাকা ‘তোলাবাজি’, গ্রেপ্তার ফিরহাদ ‘ঘনিষ্ঠ’ প্রাক্তন কাউন্সিলর শামস ইকবাল
-
ট্রাম্পের রোষে কঙ্গোর সুপার ফ্যান! মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পেলেন না মিচেল
-
এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ বধূ
-
‘খুব বাঁচা বেঁচেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ’, রচনার সুরবদলের পরই কেন একথা বললেন মনোরঞ্জন?