ইরান-আমেরিকার যুদ্ধবিরতি (Iran US Ceasefire Talk) এখনও বলবৎ থাকলেও নতুন করে শুরু হওয়া সংঘাতের ধাক্কায় পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ হতে শুরু করেছে। তেহরানকে ফের যুদ্ধের হুমকি দিতে শুরু করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফলে দু’দেশের শান্তিচুক্তি এখনও বহুদূর। কিন্তু লাগাতার হুমকি দিলেও আদৌ কি স্বস্তিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট? বিশেষজ্ঞদের মতে, তেমনটা নয়। ইরানের কাছে থাকা ‘ট্রাম্প কার্ডে’ তিনি সন্ত্রস্ত।
আরও পড়ুন:
কিন্তু কী এই ‘ট্রাম্প কার্ড’? এটি হল ইরানের হাতে থাকা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম। বহু বছর ধরেই পরমাণু অস্ত্র নির্মাণের লক্ষ্যে রয়েছে ইরান। সেই জন্য তারা ইউরেনিয়াম মজুত করছে। কিন্তু গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় আমেরিকা-ইজরায়েল। ওয়াশিংটনের দাবি, সেই অভিযানে মজুত থাকা ইউরেনিয়ামের অধিকাংশই ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও কিছুটা রয়ে গিয়েছে। তা দিয়েই পরমাণু অস্ত্র নির্মাণ করতে চাইছে তেহরান। এই বেঁচে যাওয়া ইউরেনিয়ামকেই ‘ট্রাম্প কার্ড’ বলছেন বিশেষজ্ঞরা। উল্লেখ্য, পরমাণু অস্ত্র নির্মাণের অন্যতম উপকরণ হল ইউরেনিয়াম। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার তথ্যানুযায়ী, আমেরিকার হামলার আগে ইরানের হাতে ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ছিল ৪৪০.৯ কেজি, ২০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ছিল ১৮৪.১ কেজি, ৫ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ছিল ৬০২৪.৪ কেজি এবং ২ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ছিল ২৩৯১.১ কেজি।
যুদ্ধবিরতির জন্য ট্রাম্প ইরানকে যে শর্তগুলি দিয়েছিল, তার মধ্যে অন্যতম হল – হরমুজ প্রণালীতে অবাধে জাহাজ চলাচল করতে দেওয়ার অনুমতি এবং তেহরানের হাতে যে পরিমাণ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে, তা ওয়াশিংটনকে হস্তান্তর করতে হবে। ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণ থেকে বিরত থাকতে হবে। কিন্তু আমেরিকার এই শর্তগুলি নামতে নারাজ তেহরান। এর জেরেই সমঝোতায় আসতে পারছে না দু’দেশ।
সর্বশেষ খবর
-
মাথার দাম ১ কোটি, বঙ্গেই গা ঢাকা! মদনকে জেরায় মাওবাদী নেতা আকাশের তথ্য পেল পুলিশ
-
ভবানীপুরে বিজেপি কর্মীকে মারধর, মাকে শ্লীলতাহানি! পুলিশের জালে তৃণমূল নেতা
-
‘টোটো অবৈধ, এ বার ই-রিকশা’, ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের
-
বিচ্যুতি দেখলেই ‘অ্যাকশন’, ‘তোলাবাজ’ ধরতে জেলা পর্যবেক্ষকদের গুরুদায়িত্ব শমীকের!
-
যশের দ্বৈত চরিত্রে ঘায়েল দর্শক, ‘টক্সিক’-এর ট্রেলারে উঠে এল নয়ের দশকের অন্ধকার জগৎ