ইরান

একাধিক সিআইএ চরকে মৃত্যুদণ্ড, ইরানের ঘোষণায় তুঙ্গে উত্তেজনা  

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমশ ঘনিয়ে আসছে যুদ্ধের মেঘ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৩, ২০১৯, ২০:৩০

options
link
একাধিক সিআইএ চরকে মৃত্যুদণ্ড, ইরানের ঘোষণায় তুঙ্গে উত্তেজনা  

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমশ ঘনিয়ে আসছে যুদ্ধের মেঘ। ইরান ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে। ফলে পশ্চিম এশিয়ার দিকে উদ্বেগ নিয়ে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব। এহেন পরিস্থিতিতে বেশ কয়েকজন ‘মার্কিন চর’কে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার কথা ঘষা করল ইরান। তেহরান জানিয়েছে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে শিগগিরই।

Advertisement

[আরও পড়ুন: চন্দ্রযান-২ অবতরণের শেষ ধাপের ১৫ মিনিট নিয়ে আতঙ্কিত ইসরো]

Advertisement

ইরানের সরকার নিয়ন্ত্রিত সংবাদ সংস্থা ‘ইরনা’ জানিয়েছে, মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি-র (সিআইএ) ১৭ জন এজেন্টকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের বেশ কয়েকজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তেহরানের নির্দেশে বারবার ধৃতদের ছবিও সম্প্রচার করা হচ্ছে। গত জুন মাসে ইরান দাবি করেছিল, সিআইএ-র একটি চরচক্র তারা ধরে ফেলেছে। এখন যাদের ফাঁসি দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে তারাই ওই চরচক্রের কেউ কি না তা জানা যায়নি। ইরানের সরকারি টিভি চ্যানেলে একটি বিবৃতিতে বলা হয়, ২০১৯ সালের মার্চের মধ্যে ১৭ জন গুপ্তচরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা ইরানের অর্থনীতি, পরমাণু প্রযুক্তি, পরিকাঠামো, সেনাবাহিনী, সাইবার বিভাগ ও অন্যান্য সংবেদনশীল বিষয়ে গোপন তথ্য সংগ্রহ করেছিল। ধৃতদের কয়েকজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার ইরানের টিভিতে সিআইএ নিয়ে একটি তথ্যচিত্র দেখানো হয়। তাতে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে সিআইএ-র অফিসাররা ইরানের নাগরিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। তাদের গুপ্তচর হওয়ার জন্য টোপ দিচ্ছেন মার্কিন অফিসাররা।

Advertisement

এদিকে, সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একটি টুইট করে ট্রাম্প বলেন, ‘সিআইএ এজেন্টদের গ্রেপ্তারির দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা। এই খবর একটি ব্যর্থ ধর্মভিত্তিক শাসনতন্ত্রের অপপ্রচার মাত্র। ওদের অর্থনীতি মৃত। ইরান এখন দিশেহারা।’ উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই একটি মার্কিন ড্রোন ধ্বংস করার দাবি করে ইরান। পালটা আমেরিকাও জানায়, ইরানের নজরদারি ড্রোনকে গুলি করে নামিয়েছে তাদের যুদ্ধজাহাজ। অন্যদিকে, ইরানের মোকাবিলায় সৌদিতে কাতারে কাতারে ফৌজ পাঠাচ্ছে আমেরিকা। এই প্রেক্ষাপটে সাজ সাজ রব ইরানের সেনাবাহিনীতেও। মার্কিন আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব দিতে কোমর বাঁধছে তেহরানও। ফলে উপসাগরীয় এলাকায় উত্তেজনা ফের বাড়তে শুরু করেছে। এই উত্তপ্ত পরিবেশের মধ্যেই ইরানের মোকাবিলায় সৌদি আরবে প্রচুর সেনা মোতায়েন করতে চলেছে মার্কিন প্রশাসন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে শিগগিরই সৌদি আরবে যাবে বেশ কয়েক হাজার মার্কিন সেনা।     

[আরও পড়ুন: চাষ করতে গিয়ে হাতে গুপ্তধন, ৬০ লক্ষ টাকার হীরে পেলেন কৃষক]       

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.