Iran war

হরমুজের পরে বন্ধ হবে আরও এক প্রণালী? জ্বালানি সংকটের মধ্যেই ভয় ধরানো হুঁশিয়ারি হাউথির

'ট্রিগারে আঙুল রয়েছে', জানিয়ে দিয়েছে হাউথি! সত্যিই তারা যুদ্ধে অবতীর্ণ হলে জ্বালানি সংকট আরও বহুমাত্রায় তীব্র হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৫, ২০২৬, ১০:৪৯

options
link
হরমুজের পরে বন্ধ হবে আরও এক প্রণালী? জ্বালানি সংকটের মধ্যেই ভয় ধরানো হুঁশিয়ারি হাউথির

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মেঘের ঘনঘটা। এই পরিস্থিতিতে তৈল ধমনী হরমুজে মিসাইল তাক করে রেখেছে ইরান। যার জেরে বিশ্বজুড়ে ধাক্কা খাচ্ছে জ্বালানি সরবরাহ। এবার মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে হাজির হাউথিরা! তারা জানিয়ে দিয়েছে, ”ট্রিগারে আঙুল রয়েছে।” যে কোনও সময় তারা যুদ্ধে অবতীর্ণ হলে সবার আগে বন্ধ হতে পারে আরেক প্রণালী। যার নাম বাব এল-মান্ডেব। আর সত্যিই সেটা বন্ধ হলে জ্বালানি সংকট আরও বহুমাত্রায় তীব্র হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা।

Advertisement

হরমুজ প্রণালীর মতোই বাব এল-মান্ডেবও অসীম গুরুত্বপূর্ণ একটা সমুদ্রপথ। লোহিতসাগর, ভারত মহাসাগর, ভূমধ্যসাগর, আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করা এই প্রণালীই এশিয়া-ইউরোপের মধ্যে বাণিজ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ-পথ। বাব এল-মান্ডেব যদি বন্ধ হয়ে যায়, নিশ্চিত ভাবেই বিশ্ববাণিজ্য মুখ থুবড়ে পড়বে। লোহিত সাগরের প্রবেশমুখে অবস্থিত এই প্রণালীটির মধ্য দিয়েই তেল সরবরাহের একটি বিকল্প পথ চালু করেছিল সৌদি আরব। বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় ৩০ শতাংশ এখান দিয়েই যায়। সুয়েজ খালের মাধ্যমে এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে যে সামুদ্রিক বাণিজ্যের যোগসূত্র, সেখানেও একটা বড় দায়িত্ব পালন করে বাব এল-মান্ডেব। এহেন পরিস্থিতিতে লেবানন-অস্ট্রেলিয়ার এক পডকাস্ট হোস্ট মারিও নফলের ভবিষ্যদ্বাণী, যুদ্ধ আরও বীভৎস আকার ধারণ করবে যদি হাউথিরা তাতে অংশ নেয়। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, তৈল ধমনী হরমুজ দিয়ে এক লিটার তেলও পশ্চিম এশিয়ার বাইরে যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে ইরান। এই ঘটনায় গোটা বিশ্বের তেল সরবরাহ ধাক্কা খাওয়ার পাশাপাশি হু হু করে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। গোটা পরিস্থিতিতে প্রবল চাপের মুখে আমেরিকা। উপায়ান্ত না দেখে আপাতত রুশ তেল কেনায় ছাড়পত্র দিয়েছেন ট্রাম্প। যা নিয়েও বিতর্ক শুরু হয়েছে। অর্থাৎ হরমুজ বন্ধ করার রণকৌশলে আমেরিকাকে নাকের জলে, চোখের জলে করে ছেড়েছে ইরান। কঠিন এই পরিস্থিতিতে এবার হাউথিদের প্রবেশ ঘটলে কী হবে তা সত্য়িই ভাবনার বিষয়।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন