UAE

ইরানের হামলা রুখতে আমিরশাহীকে আয়রন ডোম ইজরায়েলের, পৌঁছেছে সেনাও

মঙ্গলবার ইজরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি একথা জানিয়েছেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১২, ২০২৬, ২০:৫৫

options
link
ইরানের হামলা রুখতে আমিরশাহীকে আয়রন ডোম ইজরায়েলের, পৌঁছেছে সেনাও
আয়রন ডোম একটি অতি শক্তিশালী রাডার, যা ধেয়ে আসা রকেট শনাক্ত করতে পারে।

আমেরিকা ও ইজরায়েলকে ‘শিক্ষা’ দিতে মধ্যপ্রাচ্যের যে সব দেশে হামলা চালিয়েছে ইরান, তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ‘আঘাত’ পেয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। আর এই পরিস্থিতিতে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে ইজরায়েল। সাহায্য করেছে ‘আয়রন ডোম’ পাঠিয়ে। পাশাপাশি পাঠানো হয়েছে সেনাও। মঙ্গলবার ইজরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি একথা জানিয়েছেন। হাকাবি এই পদক্ষেপকে ২০২০ সালে ‘আব্রাহাম চুক্তি’ স্বাক্ষরের পর থেকে ইজরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর মধ্যে গড়ে ওঠা ক্রমবর্ধমান কৌশলগত অংশীদারিত্বের একটি নিদর্শন হিসেবে তুলে ধরেন।

Advertisement

মাইক জানিয়েছেন, “আমি সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে দু-একটি কথা বলতে চাই। ইজরায়েল তাদের কাছে ‘আয়রন ডোম’ ব্যাটারি এবং সেগুলো পরিচালনায় সহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় সেনাও পাঠিয়েছে।” ওয়াকিবহাল মহলের মতে, হাকাবির মন্তব্য ইজরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর মধ্যে ক্রমবর্ধিষ্ণু প্রতিরক্ষা সম্পর্কের বিষয়টিকেই জোরালোভাবে তুলে ধরেছে। বিশেষত এমন এক সময়ে, যখন ইরানের সঙ্গে চলা যুদ্ধে এখনও যুদ্ধবিরতি এখনও বলবৎ রয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ইজরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি এই পদক্ষেপকে ‘আব্রাহাম চুক্তি’ স্বাক্ষরের পর থেকে ইজরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর মধ্যে গড়ে ওঠা ক্রমবর্ধমান কৌশলগত অংশীদারিত্বের একটি নিদর্শন হিসেবে তুলে ধরেন।

কী এই আয়রন ডোম? সহজে বললে এই সিস্টেমে রয়েছে একটি অতি শক্তিশালী রাডার, যা ধেয়ে আসা রকেট শনাক্ত করতে পারে। একটি উন্নত কমান্ড অ‌্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম, যা কোন দিক থেকে আক্রমণ হবে, ঠাহর করতে পারে। একটি অত‌্যাধুনিক ইন্টারসেপ্টর যা কোনও রকেট আছড়ে পড়ার আগেই তাকে ধ্বংস করতে পারে। শুধু এই সবই নয়। ইজরায়েলের বিখ‌্যাত ‘আয়রন ডোম’ সিস্টেম এতটাই ক্ষমতাবান যে, তার ‘রিস্ক অ‌্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার’-এর কম্পিউটার অঙ্ক কষে বলে দিতে পারে, আকাশপথের কোনও আক্রমণে জনজাতি বিপন্ন হতে চলেছে কি না।

Advertisement

এখানে বলে রাখা ভালো, গত ৮ এপ্রিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহী গোপনে ইরানের উপর হামলা চালায়। তাদের লক্ষ্যবস্তু ছিল ইরানের লাভান দ্বীপের তৈল সংশোধনাগার। এটি ছিল ইরানের দশম বৃহত্তম তেল শোধনাগার। এখান থেকে দিনে প্রায় ৬০,০০০ ব্যারেল তেল উৎপাদিত হত। শুধু তাই নয়, হামলা এমন সময়ে ঘটে যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির পথে হাঁটছিলেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন