ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাড়ি। যদিও কর্মরত জাপানে। দেশে ফিরে বিয়ে করতে গিয়েছিলেন একই উপজেলার আরেক গ্রামে। কিন্তু বরকে অভ্যর্থনা জানানোর সময় দেখা যায়, বরণ করার ফুল নিয়ে আপত্তি রয়েছে তাঁর। সেযাত্রায় গোলমাল মিটলেও বরের পাতে খাসির মাংস ‘অদৃশ্য’ দেখে আর নিজেকে সামলাতে পারেননি পাত্র। সটান সিদ্ধান্ত নেন, এখানে বিয়ে করবেন না। অনেকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও লাভ হয়নি। শেষপর্যন্ত বিয়ে না করেই চলে গেলেন প্রবাসী পাত্র। স্বাভাবিক ভাবেই উৎসবের আনন্দ ফিকে হয়ে বিয়েবাড়িতে এখন থমথমে পরিবেশ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলায় বাড়ি জুনায়েদের। থাকতেন বিদেশে। দেশে ফেরার পর আবদুল জলিলের পুত্রের সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয় একই উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের তোলাতালা গ্রামের পাত্রীর সঙ্গে। জানা যাচ্ছে, বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা উপলক্ষে জুনায়েদ কনের বাড়িতে পৌঁছালে ফুল দিয়ে তাকে বরণ করা হয়। এ সময় ফুল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। পরে ফুল ও গেটের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বরকে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। একপর্যায়ে আত্মীয়-স্বজনদের খাওয়া-দাওয়া শেষে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে বরপক্ষের জন্য ‘খদরে’ খাবার দেওয়া হয়। ‘খদর’ হল বড় থালায় বিশেষ আয়োজন। জুনায়েদর লক্ষ করেন পাতে খাসির মাংস নেই! তিনি খাসি ছাড়া খাবেন না এবং খাসি না দিলে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতাও করবেন না বলে জানিয়ে দেন পাত্র। কনেপক্ষের আত্মীয়-স্বজনেরা অনেকেই তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। তবে তিনি সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। শেষ পর্যন্ত বিয়ে না করেই একা কনের বাড়ি থেকে ফিরে যান প্রবাসী জুনায়েদ।
আরও পড়ুন:
কনের বাবা শফিক মিয়া বলছেন, ‘‘আমাকে আগে জানানো হলে খদরে খাসির ব্যবস্থা করতাম। এ বিষয়ে আমাকে আগে কিছুই বলা হয়নি। এরপরও আত্মীয়স্বজন-সহ সবাই ছেলেকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু তিনি কোনওভাবেই রাজি হননি।’’ এদিকে ছেলেটির কথাবার্তা কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে বলে দাবি স্থানীয় ইউপি সদস্য আশিক মিয়ার।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
অসুস্থ হয়ে দিল্লি এইমসে ভর্তি বিমান বসু, কী জানাল বামফ্রন্ট রাজ্য নেতৃত্ব?
-
হাওড়ায় বাড়ির সামনে জমা জলে উদ্ধার ব্যক্তির দেহ, তদন্তকারী দল পাঠালেন মন্ত্রী, আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস
-
আচমকা অসুস্থ বুদ্ধদেবজায়া মীরা ভট্টাচার্য, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
-
বাবাকে ‘টার্গেট’ ভেবে ঘরে ঢুকে ছেলেকে খুন! যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল হাওড়া আদালত
-
অভয়া মামলা থেকে নিস্তার নেই! তোলাবাজিতে জামিন হলেও জেলেই প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব