সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচন শুরু হওয়ার ঠিক আগেই প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রত্যাবর্তন চেয়েছিলেন। কিন্তু ফল ঘোষণার ঠিক আগেই ওয়াঘা সীমান্তের ওপারের একাধিক টেলিভিশন চ্যানেলে সাধারণ মানুষের যে মত উঠে এসেছে, তাতে মোদির প্রত্যাবর্তন চাইছে না সিংহভাগ পাক জনতা।
[আরও পড়ুন: বিনা পয়সায় ভরপেট খাবার, জানেন কোথায় আছে এমন রেস্তরাঁ?]
আজ দেশের সাধারণ নির্বাচনের ফল ঘোষণা। শুরু হয়েছে ভোট গণনা। কিছুক্ষণের মধ্যেই সামনে চলে আসবে ফল। সীমান্ত সংঘর্ষের জেরে সর্বদা টানটান উত্তেজনা থাকে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে। তাছাড়া উভয় দেশের বহু পরিবারের মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক। তাই পাকিস্তানের মানুষও ভারতের নির্বাচনী ফলের দিকে অধীর আগ্রহে তাকিয়ে রয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে সংবাদ মাধ্যমেও উঠে আসছে আমজনতার প্রতিক্রিয়া। যেখানে দেখা যাচ্ছে, সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের আতঙ্ক বহু পাক নাগরিকই মন থেকে মুছে ফেলতে পারেননি। পাঠানকোটে সিআরপিএফ কনভয়ে আত্মঘাতী হামলার বদলা নিতে বালাকোটে জঙ্গি ঘাঁটিতে অভিযান চালিয়েছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। তার আগে উরির সেনা ছাউনিতে জঙ্গি হামলার বদলায় সীমান্ত পেরিয়ে তাদের ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছিল সেনাবাহিনী। তাই সিংহভাগ মানুষই নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এনডিএ সরকারের প্রত্যাবর্তন চাইছেন না।
পাক টেলিভিশন চ্যানেলে শাহি আলম নামে লাহোরের এক বাসিন্দা বলেছেন, “মোদির মোটেই ক্ষমতায় ফেরা উচিত নয়। তিনি পাকিস্তানে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালিয়েছিলেন।” আইজাজ নামের এক ব্যক্তির সংযোজন, “মোদি ফের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসছেন কি না, সে বিষয়ে সংশয় রয়েছে। আমি নিশ্চিত, ভারতে ভোটের ফল ত্রিশঙ্কু হবে। সেটা পাকিস্তানের পক্ষে মঙ্গলজনক।” মাস দুয়েক আগে ইমরান একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি জিতে ক্ষমতায় ফিরলে ভারত-পাক শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা বাড়বে। কাশ্মীর সমস্যা নিয়েও সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হবে।
[আরও পড়ুন: আপাতত কালো তালিকাভুক্ত হচ্ছে না Huawei, সিদ্ধান্ত পিছল ট্রাম্প প্রশাসন]
অনেকটা একই ধরনের মত পোষণ করেন লন্ডনের বাসিন্দা, পাক ব্যবসায়ী রিয়াজ। তাঁর বক্তব্য, “পাকিস্তানের বাসিন্দাদের সঙ্গে বিদেশে থাকা পাক জনতার মত খুব একটা মেলে না। উভয়ের দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য রয়েছে। আমরা চাই, মোদি ফের জিতে ক্ষমতায় আসুন। তাহলে অন্তত পাক ভূখণ্ডে সক্রিয় জঙ্গি সংগঠনগুলি ভয়ে থাকবে। আমাদের মাতৃভূমি থেকে সন্ত্রাসবাদের শিকড় উপড়ে ফেলতে পাক সরকারের উপর চাপ বাড়বে।” তাঁদের আশা পূর্ণ হবে কি না, জানতে আর কয়েক ঘণ্টার প্রতীক্ষা।
সর্বশেষ খবর
-
ইউক্রেনের ব্যাঙ্কের সঙ্গে বিবাদ! যুদ্ধের মাঝে রাশিয়ায় বড় দায়িত্বে ভারতের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি
-
‘সময় ঠিক করুন, সব প্রশ্নের জবাব দেব’, স্পিকারকে চিঠি দিয়ে বিরোধীদের পালটা চাপ শাহের
-
খোঁচা খাওয়া বাঘের মতো প্রত্যাবর্তন! কুয়েতের দলকে উড়িয়ে এসিএল টু-র মূল পর্বে ইস্টবেঙ্গল
-
‘শাহী’ বৈঠকে রফাসূত্র, কুড়মালি ভাষা অষ্টম তফসিলে অন্তর্ভুক্তিতে সবুজ সংকেত!
-
‘গোটা প্রকল্পই বেআইনি’! রাজারহাটের ‘অ্যাকোয়া গলফ ভিলা’ ভাঙার নির্দেশ হাই কোর্টের