BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ভোটের দিন কেদারনাথে ‘জনসংযোগ’ মোদির, কমিশনে নালিশ তৃণমূলের

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: May 19, 2019 12:13 pm|    Updated: May 19, 2019 1:20 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধ্যানে বসেছিলেন শনিবার সন্ধেয়। রবিবার ভোটের দিন সকালে ধ্যান ভাঙল৷ ধ্যানভঙ্গ করেই নরেন্দ্র মোদি বেরিয়ে মানুষের সঙ্গে কথা বলেন৷ কথা বলেন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গেও। যার পুঙ্খানুপুঙ্খ সম্প্রচারিত হচ্ছে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স সংবাদমাধ্যমে। আর এখানেই আপত্তি জানাল তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, কেদারনাথে মোদির জনসংযোগ নির্বাচনকে প্রভাবিত করছে। নির্ধারিত সময়ের পরও কৌশলে প্রচার করার অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হচ্ছে এরাজ্যের শাসকদল।

[আরও পড়ুন: সাত রাজ্যের ৫৯ আসনে প্রধানমন্ত্রী-সহ একাধিক হেভিওয়েটের ভাগ্য নির্ধারণ]

ভোটের প্রচার শেষ করেই গতকাল তীর্থদর্শনে বেরিয়ে পড়েন মোদি। যদিও, খাতায় কলমে তাঁর এই সফর সরকারি সফর হিসেবেই নির্ধারিত। কেদারনাথে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ খতিয়ে দেখতে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু, নির্বাচনের মাঝখানে কীভাবে মোদি সরকারি কর্মসূচির অনুমতি পেলেন তা নিয়েও ধোঁয়াশা রয়েছে বিরোধী শিবিরে। নির্বাচন কমিশন প্রধানমন্ত্রীকে কেদারনাথ সফরের অনুমতি দিলেও তাঁকে নির্বাচনী বিধি সংক্রান্ত বিষয়গুলি মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

[আরও পড়ুন: ভোটের পর কোন শিবিরকে সমর্থন? ইঙ্গিত দিলেন নবীন পট্টনায়েক]

গতকাল বিকেলেই কেদারনাথের গুহায় ধ্যানে বসে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। সারারাত ধ্যান করার পর ভোটের দিন সকালে তাঁর ধ্যান ভাঙে। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, কেদারনাথের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক একান্ত। দেশবাসীকে বিদেশে বেড়াতে যাওয়ার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে যেতেও অনুরোধ করেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন সকালে কেদারনাথের বহু পুণ্যার্থীর সঙ্গে কথা বলেন মোদি। তিনি বলেন, “এটা আমার সৌভাগ্য যে আমি কেদারনাথের মতো মতো আধ্যাত্মিক ভূমিতে বারবার আসার সুযোগ পাই। এখানে আমার যে উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলি রয়েছে তাঁর মূল লক্ষ্য প্রকৃতি এবং পরিবেশকে লক্ষ্য রেখেই।” কেদারনাথ তীর্থযাত্রীদের সঙ্গে কথা বলার পরই বদ্রীনাথ যান মোদি।

প্রধানমন্ত্রীর এই সরকারি কর্মসূচি নিয়েই আপত্তি তৃণমূল কংগ্রসের। তাদের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিটি কর্মসূচি যেভাবে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হচ্ছে তাতে ভোটাররা প্রভাবিত হতেই পারেন। ইতিমধ্যেই কমিশনে নালিশ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে এরাজ্যের শাসকদল।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement