Mark Zuckerberg

৩৩৫ কোটিতে ঐতিহাসিক দুর্গ কিনলেন জুকারবার্গ, রান্নাঘর থেকে খাবার ঘরের দূরত্ব ৫ মিনিট!

রান্নাঘর থেকে খাবার ঘরে পৌঁছাতে দ্রুত পায়ে হাঁটলেও সাড়ে চার মিনিট সময় লাগে, এমনই প্রকাণ্ড দুর্গে এবার থাকবেন সস্ত্রীক জুকারবার্গ!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৬, ২১:৩৯

options
link
৩৩৫ কোটিতে ঐতিহাসিক দুর্গ কিনলেন জুকারবার্গ, রান্নাঘর থেকে খাবার ঘরের দূরত্ব ৫ মিনিট!
ছবি: সংগৃহীত।

নতুন বাড়ি কিনেছেন মার্ক জুকারবার্গ। মেটার সিইও বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি। তাই তিনি যে বাড়ি কিনবেন, তা যে সকলের চোখ কপালে তোলার মতোই কিছু হবে, সেটাই স্বাভাবিক। তাঁর নয়া বাসস্থান আয়ারল্যান্ডের এক ঐতিহাসিক দুর্গ। দাম পড়েছে ‘মাত্র’ ৩০ মিলিয়ন ইউরো। ভারতীয় মুদ্রার হিসেবে তা প্রায় ৩৩৫ কোটি টাকা! এর সঙ্গে রয়েছে ৪৪০ একরের একটি সুবিশাল এস্টেট।

Advertisement

‘আইরিশ টাইমস’-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুকারবার্গ ও তাঁর স্ত্রী প্রিসিলা চ্যান বেশ কয়েক সপ্তাহ আগেই একটি ‘অফ-মার্কেট’ চুক্তির মাধ্যমে দুর্গটি কিনেছিলেন। তবে আয়ারল্যান্ডের ‘প্রপার্টি প্রাইস রেজিস্টার’-এ এই লেনদেনের বিষয়টি এখনও উঠে আসেনি। যদিও দুর্গটির সঠিক মূল্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে এটা জানা গেছে যে স্ট্র্যানক্যালি ক্যাসল নামের এই দুর্গ ২০ মিলিয়ন ইউরো থেকে ৩০ মিলিয়ন ইউরোর (প্রায় ৩৩৫ কোটি রুপি) মধ্যে বিক্রি হতে পারে।

Advertisement

Advertisement

জানা গিয়েছে, দুর্গটি ডাবলিনে মেটার আন্তর্জাতিক সদর দপ্তর থেকে ২০০ কিমি দূরে। উনবিংশ শতাব্দীর গথিক শৈলীর এই দুর্গটি ব্ল্যাকওয়াটার ভ্যালির ব্ল্যাকওয়াটার নদীর তীরে অবস্থিত। ১৮৩০ সালের দিকে প্রাক্তন টোরি এমপি জন কেইলির জন্য নির্মিত হয়েছিল এই প্রকাণ্ড দুর্গ। শোনা যায়, রান্নাঘর থেকে খাবার ঘরে পৌঁছাতে দ্রুত পায়ে হাঁটলেও সাড়ে চার মিনিট সময় লাগে। ১৬,০০০ বর্গফুট আয়তনের এই দুর্গে অবশ্য নিয়মিত থাকবেন না মেটা কর্তা। আমেরিকাতেই থাকবেন তিনি। কেবল আয়ারল্যান্ড সফরের সময় এখানে এসে উঠবেন। বলে রাখা ভালো, ‘মেটা’র ইউরোপীয় সদর দপ্তর ২০০৯ সাল থেকেই আয়ারল্যান্ডে অবস্থিত। তাই এখানে নিয়মিতই আসতে হবে জুকারবার্গকে।

জুকারবার্গ ও তাঁর স্ত্রী প্রিসিলা চ্যান বেশ কয়েক সপ্তাহ আগেই একটি ‘অফ-মার্কেট’ চুক্তির মাধ্যমে দুর্গটি কিনেছিলেন। তবে আয়ারল্যান্ডের ‘প্রপার্টি প্রাইস রেজিস্টার’-এ এই লেনদেনের বিষয়টি এখনও উঠে আসেনি।

আর কী বিশেষত্ব এই দুর্গের? পুরো এস্টেটটি মনোরম ব্ল্যাকওয়াটার ভ্যালির নদী ও সবুজ প্রকৃতি দ্বারা পরিবেষ্টিত। অত্যন্ত শান্ত ও নিজের সঙ্গে একলা হওয়ার আদর্শ পরিবেশ। তবে গত দুই দশক যাঁদের হাতে মালিকানা ছিল, তাঁরা দুর্গটির সংস্কার করেছিলেন ব্যাপক ভাবে। ফলে প্রাচীনত্বের সঙ্গে এখানে মিশে রয়েছে আধুনিকতাও। যা এর আবেদনকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.