Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Myanmar

বৌদ্ধ মঠে গোলাবর্ষণ জুন্টার! মৃত অন্তত ১৪ ভিক্ষু, গৃহযুদ্ধে রক্তাক্ত মায়ানমার

২০২১ সালের পর থেকে সেনার দখলে মায়ানমার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৬, ২১:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৬, ২১:০৭

options
link
বৌদ্ধ মঠে গোলাবর্ষণ জুন্টার! মৃত অন্তত ১৪ ভিক্ষু, গৃহযুদ্ধে রক্তাক্ত মায়ানমার zoom
ছবি:সংগৃহীত।
Advertisement

গৃহযুদ্ধে জর্জরিত মায়ানমার (Myanmar)। এবার সেদেশের এক বৌদ্ধ মঠে হামলা চালাল জুন্টা। সেই বিমান হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। আহত ২০। জানা গিয়েছে, স্থানীয় সময় সকাল ৯টা নাগাদ সেখানে গোলাবর্ষণ করে মায়ানমারের সেনা। হামলার পর স্থানীয় বাসিন্দারা নিহতদের কবস্থ করেন। তারপর পালিয়ে নিকটবর্তী একটি গ্রামে আশ্রয় নেন।

সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, শুক্রবার মায়ানমারের মধ্যাঞ্চলে সাগাইং অঞ্চলের ওই বৌদ্ধ মঠে হামলা চালিয়েছিল জুন্টা। পশ্চিমে মিয়াউং টাউনশিপের ‘সোয়েল লে ওহ’ গ্রামের ওই মঠে এক সপ্তাহব্যাপী ধ্যানের কার্যক্রম চলছিল। এতে অংশ নিয়েছিলেন শতাধিক মানুষ। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন তিনজন নারী। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তির দাবি, বিমানটি প্রায় ১৫ মিনিটের ব্যবধানে দু’টি বোমা ফেলেছিল। এর মধ্যে দ্বিতীয় বোমাটির আঘাতে মঠের কাছে একটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

Advertisement

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের পর থেকে সেনার দখলে মায়ানমার। সম্প্রতি সাধারণ নির্বাচনে প্রাক্তন সেনাকর্তা মিন আউং হ্লাইং-এর দল জয়লাভ করার পরেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। উলটে রাষ্ট্রপুঞ্জের সাম্প্রতিক রিপোর্টে ভয়ংকর নৃশংসতা প্রকাশ্যে এসেছে সম্প্রতি। ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, গত ছ’মাসে দেশটির সেনাবাহিনী অন্তত ৭০২ জন অসামরিক নাগরিককে খুন করেছে। এর মধ্যে মহিলা এবং শিশুরাও রয়েছে। রিপোর্টের দাবি, সেনার নৃশংসতার সূত্রপাত গত বছরের আগস্টে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকে। যা অব্যাহত থাকে চলতি বছরের জানুয়ারিতে ভোটের ফলপ্রকাশ পর্যন্ত। এই সময়ে দেশের সেনাবাহিনী অন্তত ৭০২ জন অসামরিক নাগরিককে খুন করেছে। নিহতদের মধ্যে ২২৪ জন মহিলা এবং ১৫৩ জন শিশু। এর মধ্যেই সামনে এল বৌদ্ধ মঠে গোলাবর্ষণের বিষয়টি। যাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

উল্লেখ্য, সাগাইং হল মায়ানমারের এক গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক অঞ্চল। যা সেদেশের উত্তর-পশ্চিম অংশে অবস্থিত এবং দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রশাসনিক বিভাগ। সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই সাগাইং অঞ্চলকে তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে জুন্টা। এই সব এলাকায় ব্যাপক বিমান হামলা ও আত্মঘাতী ড্রোন ব্যবহার করছে মায়ানমারের সেনা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.