সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মঙ্গলবারই ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হুঁশিয়ারি দিয়েছেন গাজার উপরে আরও বড় আকারে আক্রমণ শানাবে ইজরায়েলি সেনা। কিন্তু তিনি এমন ‘রণং দেহি’ মেজাজে থাকলেও তাঁর দেশেরই প্রাক্তন সেনাপ্রধান ও গোয়েন্দা প্রধান চাইছেন এবার লড়াইয়ে ক্ষান্ত দিক তেল আভিভ।
গাজায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬১ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। এমনই দাবি সেখানকার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের। সম্প্রতি ত্রাণ সরবরাহের সময় ক্ষুধার্ত প্যালেস্তিনীয়দের নতুন করে মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে বলে জানানো হয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে পালটা চাপ বাড়ছে ইজরায়েলের উপরে। আর তাই ত্রাণ সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত ইজরায়েলি সেনার দপ্তরের তরফে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নতুন করে চুক্তি করার কথা জানা গিয়েছে।
সম্প্রতি একটি ভিডিও দেখা গিয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। সেখানে ইজরায়েলের শিন বেট ইন্টারনাল সিকিউরিটি সার্ভিসের প্রাক্তন প্রধান ইয়োরাম কোহেন বলেছেন, ”যদি কেউ কল্পনা করে আমরা প্রত্যেক জঙ্গি, প্রতিটি ডেরা, প্রতিটি অস্ত্রের দখল নেব আবার সব পণবন্দিকে ঘরেও ফেরাব- মানতেই হবে সেটা অসম্ভব।” নেতানিয়াহু যা চাইছেন সেটা আদতে ‘ফ্যান্টাসি’ বলেই মনে করছেন কোহেন। তাঁর মতোই মতামত দিতে দেখা যাচ্ছে মোসাদ ও ইজরায়েলি সেনার প্রাক্তন কর্মীদেরও। নিঃসন্দেহে এহেন পরিস্থিতিতে নেতানিয়াহুও যে প্রবল চাপে রয়েছেন, তা পরিষ্কার।
হামাস ও ইজরায়েল সেনার অসমযুদ্ধে ইতিমধ্যেই গাজার ৭৫ শতাংশ অংশ নিজেদের দখলে নিয়েছে আইডিএফ। কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এই অঞ্চল। এই অবস্থায় বাকি ২৫ শতাংশও অবিলম্বে দখলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, ইজরায়েল সেনার অনুমান এই ২৫ শতাংশ অংশেই কোথাও লুকিয়ে রাখা হয়েছে পণবন্দিদের। সম্প্রতি জেরুজালেম পোস্টের তরফে এক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তরফে আইডিএফের চিফ অফ স্টাফকে স্পষ্ট ভাষায় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, গোটা গাজা দখল করো অথবা নিজের পদ থেকে ইস্তফা দাও। যা নেতানিয়াহুর একগুঁয়ে মনোভাবকেই তুলে ধরছে।
সর্বশেষ খবর
-
‘ইতিহাসের অন্ধকার-মর্মান্তিক অধ্যায়’, ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’য়ের ইতিহাস মনে করালেন মুখ্যমন্ত্রী
-
নথির প্রয়োজন নেই, দেখামাত্রই গ্রেপ্তার! অভিষেক ঘনিষ্ঠ বিনয়ের বিরুদ্ধে এবার ‘ওপেন ওয়ারেন্ট’
-
দীর্ঘ পথে ক্লান্তি! ঝরিয়াশোলে কাদায় আটকে মর্মান্তিক মৃত্যু হস্তিশাবকের, শত চেষ্টাতেও বাঁচাতে পারল না মা
-
মহারাষ্ট্রের এই আদিবাসী গ্রামে রাতের আকাশই মূল আকর্ষণ, আকাশগঙ্গা দেখতে ভিড় পর্যটকদের
-
হাওড়া-শিয়ালদহতেও মিলছে না ন্যূনতম পরিষেবা! ক্যাগ রিপোর্টে একাধিক স্টেশনের পানীয় জল নিয়ে উদ্বেগ