Bhutan

এক ‘ড্রাগন’ রুখতে অন্য ‘ড্রাগন’কে ৪ হাজার কোটি! জিনপিংয়ের ‘বঙ্গীয় চালে’র পালটা ১২ প্রকল্প

প্রকল্পগুলি বাবদ খরচ হবে ৩৩২ কোটি টাকা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২৬, ১৫:৩২

options
link
এক ‘ড্রাগন’ রুখতে অন্য ‘ড্রাগন’কে ৪ হাজার কোটি! জিনপিংয়ের ‘বঙ্গীয় চালে’র পালটা ১২ প্রকল্প
ছবিটি এআই দ্বারা নির্মিত।

থিম্পুতে ৪ হাজার কোটি টাকার ঋণচুক্তি হল ভারত ও ভুটানের মধ্যে। সেই সঙ্গে স্বাক্ষরিত হয়েছে ১২টি নতুন প্রকল্প সংক্রান্ত সহযোগিতার চুক্তিও। বিদেশ মন্ত্রকের সূত্রে জানা যাচ্ছে, ওই প্রকল্পগুলি বাবদ খরচ হবে ৩৩২ কোটি টাকা।

Advertisement

দুদিনের সফরে ভুটান গিয়েছিলেন বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি। সেই সফরেই শুক্রবার এই ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। পাশাপাশি রাজা জিগমে খেসার নামগেল ওয়াংচুক, প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে এবং বিদেশ ও বৈদেশিক বাণিজ্য মন্ত্রী লিয়নপো ডি এন ধুংগেলের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন তিনি। এই সফরে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, যত দিন যাচ্ছে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ভারত এবং চিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। আর সেই লড়াইয়ে নেমে বেজিং কার্যত একটা ‘চেইন’ গড়ে তুলে ঘিরে ফেলছে নয়াদিল্লিকে। পাকিস্তান থেকে শুরু করে শ্রীলঙ্কার হামবানটোটা বন্দর – একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত কেন্দ্রে বেজিংয়ের উপস্থিতি চিন্তা বাড়িয়েছে ভারতের। পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গেও জিনপিংয়ের ‘সখ্য’ও দুশ্চিন্তার আরেক কারণ। এহেন পরিস্থিতিতে ভুটানের সঙ্গে ভারতের এই চুক্তি কার্যতই কড়া বার্তা চিনের জন্য। এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ভুটানের সঙ্গে এই চুক্তি ভারতের ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির এক বড়সড় কূটনৈতিক সাফল্য। যা প্রমাণ করে, ভারত ভুটানের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য এবং বৃহত্তম উন্নয়ন অংশীদার। আর এতে নিঃসন্দেহে অস্বস্তি বাড়বে চিনের। কেননা এই ঋণচুক্তির ফলে ভুটানের ওপর ভারতের প্রভাব বজায় থাকবে। চিনের সীমান্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও মুখ থুবড়ে পড়বে। 

Advertisement

বলে রাখা ভালো, প্রায় বছর দশেক আগে ডোকলাম এলাকায় ভুটানের জমিতে অনুপ্রবেশ করেছিল চিনের সেনা। যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে চিন ও ভারতের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা আচমকা আরও বাড়ে। পরবর্তী সময়ও ডোকলামারে কাছাকাছি কয়েকটি এলাকায় চিনা গ্রাম তৈরি হয়েছিল বলে জানা যায়। পরিস্থিতির দিকে আগাগোড়া নজর রেখেছে নয়াদিল্লি। নিয়মিত অর্থসাহায্যও করেছে। যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। এবার নয়া ঋণচুক্তি যে বেজিংয়ের পরিকল্পনায় আরও বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে তাতে নিশ্চিত ওয়াকিবহাল মহল। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.