North Korea

ট্রাম্প ‘নরম’ হতে চাইলেও কিম স্বমেজাজেই! মার্কিন-দক্ষিণ কোরিয়ার মহড়ার পরই ‘রহস্যময়’ মিসাইল ছুড়ল পিয়ংইয়ং

কিমের বোন আগেই বলেছিলেন, ‘সামরিক মহড়ার সময়সীমা ও পরিসর কমানো হলেও এর উসকানিমূলক ও আগ্রাসী চরিত্র বদলাবে না।'

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২৬, ১৯:০৪

options
link
ট্রাম্প ‘নরম’ হতে চাইলেও কিম স্বমেজাজেই! মার্কিন-দক্ষিণ কোরিয়ার মহড়ার পরই ‘রহস্যময়’ মিসাইল ছুড়ল পিয়ংইয়ং

সুর নরম করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। দাবি করেছিলেন, তাঁর সঙ্গে কিমের সম্পর্ক ভালো! সেই সঙ্গেই জানা গিয়েছিল, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ার সময়সীমাও কমানো হচ্ছে। কিন্তু এহেন পদক্ষেপেও যে উত্তর কোরিয়া নিজের মনোভাবেই অটল, তা আগেই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন কিমের বোন। এর মধ্যেই ‘রহস্যময়’ মিসাইল ছুড়ল পিয়ংইয়ং! তেমনই দাবি জাপানের। দক্ষিণ কোরিয়াও একই দাবি করেছে।

Advertisement

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, তারা উত্তর কোরিয়ার সন্দেহজনক উৎক্ষেপণ শনাক্ত করেছে। যদিও বিষয়ে বিস্তারিত কোনও তথ্য দেয়নি টোকিও। এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম সামরিক সূত্রের উল্লেখ করে জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া তাদের পূর্ব উপকূল থেকে একটি অজ্ঞাত প্রজেক্টাইল নিক্ষেপ করেছে।

Advertisement

উল্লেখ্য, সদ্য ট্রাম্প তাঁর নিজস্ব সোশাল মিডিয়া ‘ট্রুথ সোশাল’-এ লিখেছেন- ‘উত্তর কোরিয়ার কিম জং উনের সঙ্গে আমার অত্যন্ত ভালো সম্পর্কের কারণে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ায় আমেরিকার দীর্ঘদিনের অংশগ্রহণের বিষয়টি আমার কাছে সন্তোষজনক মনে হচ্ছে না।’ পাশাপাশি তাঁর দাবি, ‘এই মহড়াগুলো কেবল ব্যয়বহুলই নয়, যার বড় একটি অংশ (বরাবরের মতোই) আমেরিকাকে বহন করতে হয়— বরং এগুলি এমন একটি দেশের প্রতি সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত ও শত্রুতার বার্তা পাঠায়, যারা ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন কোনও হুমকি দেয়নি। এবং সর্বদা শ্রদ্ধাশীল আচরণই করেছে।” ট্রাম্পের এমন মন্তব্যে অনেকেই অবাক হন। কেন হঠাৎ কিমের প্রতি ট্রাম্প এমন ‘নরম’ মনোভাব দেখাচ্ছেন তা নিয়ে বিস্মিত ওয়াকিবহাল মহল।

Advertisement

কিন্তু ট্রাম্প ‘শান্তির বাণী’ শোনালেও উত্তর কোরিয়া যে সেসবে কান দিচ্ছে না তা বুঝিয়ে দিয়েছেন কিমের বোন কিম ইয়ো জং। তিনি জানিয়েছেন, ‘সামরিক মহড়ার সময়সীমা ও পরিসর কমানো হলেও এর উসকানিমূলক ও আগ্রাসী চরিত্র বদলাবে না। আমেরিকা মনে করতেই পারে, যে তাদের সাম্প্রতিক পদক্ষেপটিকে তারা তথাকথিত ‘সদিচ্ছা’র নিদর্শন হিসেবে তুলে ধরতে পারবে, কিন্তু তারা কাঙ্ক্ষিত সাড়া পাবে না।’ সেই সঙ্গেই এবছরের শুরুর দিকে আমেরিকা-দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ মহড়ার দিকটিও তুলে ধরেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.