Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
Telangana

প্রধান শিক্ষিকাকে ২৭ বার ছুরির কোপ দশম শ্রেণির ২ পড়ুয়ার! দেড় লক্ষ হাতিয়ে গোয়া ট্রিপ, তারপর…

অভিযুক্তদের ব্যাগে মোবাইল ফোন এবং টাকা উদ্ধারের ঘটনায় বেশ কিছু দিন আগে বকাঝকা করেছিলেন প্রধান শিক্ষিকা। অভিভাবকদের ডেকে নালিশও করেন। এরই 'বদলা' নেয় দুই ছাত্র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২৬, ১৮:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২৬, ১৮:০৩

options
link
প্রধান শিক্ষিকাকে ২৭ বার ছুরির কোপ দশম শ্রেণির ২ পড়ুয়ার! দেড় লক্ষ হাতিয়ে গোয়া ট্রিপ, তারপর… zoom
ছবি: সংগৃহীত।
Advertisement

তেলেঙ্গানার (Telangana) নালগোন্ডায় খুন হয়েছেন একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা। ৪৮ বছর বয়সি কল্লু রুপা রেড্ডিকে নৃশংসভাবে ধারাল অস্ত্রে ২৭ বার কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছিল। এই ঘটনায় ওই স্কুলেরই দুই নাবালক ছাত্রকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে, অসৎ উপায়ে বিলাসবহুল জীবন কাটাত দুই ছাত্র। এই নিয়ে বকঝকা করেন রুপা। সেই প্রধানশিক্ষিকাকে খুন করে দশম শ্রেণির দুই পড়ুয়া। পাশাপাশি নগদ টাকা, ফোন চুরি করে।

পুলিশ জানিয়েছে, কল্লু রুপা রেড্ডি একটি বেসরকারি স্কুলের কর্ণধার এবং প্রধান শিক্ষিকা। স্বামী কাজের সূত্রে হায়দরাবাদে যাওয়ায় ১১ আগস্ট রাতে একাই বাড়িতে ছিলেন। পরদিন স্ত্রীকে ফোন করেও কোনও উত্তর না পাওয়ায় পড়শিকে জানান তাঁর খোঁজ নিতে। এক প্রতিবেশীই প্রথম দেখতে পান ঘরের মধ্যে পড়ে রয়েছেন ক্ষতবিক্ষত রুপা। তিনিই পুলিশ খবর দেন। নৃশংস হত্যার তদন্তে পুলিশ পাঁচটি আলাদা দল গঠন করে। খতিয়ে দেখা হয় সিসিটিভি ফুটেজ, সংগ্রহ করা হয় আঙুলের ছাপ। এছাড়াও ডিজিটাল তথ্য ও সন্দেহভাজনদের গতিবিধি পর্যালোচনা করেন তদন্তকারীরা। ৮০ জনেরও বেশি ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

Advertisement

শেষ পর্যন্ত রুপার মোবাইলের কল রেকর্ড ঘাঁটতেই ‘বাবু’ শব্দ শুনতে পাওয়া যায়। সাংবাদিকদের কাছে পুলিশ আধিকারিক শরৎ চন্দ্র জানিয়েছেন, ওই শব্দের সূত্র ধরেই হামলাকারী দুই পড়ুয়ার খোঁজ পাওয়া যায়। সন্দেহভাজন ৫ জন দশম শ্রেণির পড়ুয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ। শিক্ষিকা খুনের পর থেকে ওই পাঁচ জন আসছিল না স্কুলে। পাশাপাশি ওই পাঁচ ছাত্রের মধ্যে দু’জন প্রচুর টাকা খরচ করেছিল। হত্যাকাণ্ডের পরেই তারা গোয়া বেড়াতে চলে যায়।

পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদে মুখ খোলে অভিযুক্তরা। খুনের কথা স্বীকার করে দুই পড়ুয়া। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের ব্যাগে মোবাইল ফোন এবং টাকা উদ্ধারের ঘটনায় বেশ কিছু দিন আগে বকাঝকা করেছিলেন প্রধানশিক্ষিকা। অভিভাবকদের ডেকে নালিশও করেন। এরপরেই শিক্ষিকার উপর হামলা চালানোর পরিকল্পনা করে দুই ছাত্র। সম্ভবত, প্রাণে মারার ভাবনা ছিল না তাদের। ঘরে ঢুকে আড়াই লক্ষ টাকা চুরি করে পালানোর সময়ে মুখের ঢাকা পড়ে যায় এক ছাত্রের। চিনে ফেলেন শিক্ষিকা। এর পরেই ২৭ বার কোপানো হয় রুপাকে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। গ্রেপ্তারির পর দুই ছাত্রের কাছ থেকে দেড় লক্ষ টাকা নগদ, একটি আইফোন এবং শিক্ষিকার ফোনটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.