Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
Payel Halder Ashoknagar

দ্বিতীয়বার ক্যানসার আক্রান্ত হয়েও লড়াই ছাড়েননি, সাংবাদিক হওয়ার স্বপ্ন নিয়েই মৃত্যু পায়েলের

পায়েলকে শ্রদ্ধা জানাতে তাঁর কলেজের তরফে একটি সেমিনারের আয়োজন করা হচ্ছে। পাশাপাশি একটি ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতাও হবে। 

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২৬, ১৯:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২৬, ১৯:০৯

options
link
দ্বিতীয়বার ক্যানসার আক্রান্ত হয়েও লড়াই ছাড়েননি, সাংবাদিক হওয়ার স্বপ্ন নিয়েই মৃত্যু পায়েলের zoom
মৃত পায়েল হালদার। ছবি- ফেসবুক।
Advertisement

ক্যানসার বদলে দিয়েছিল চেহারা। কিন্তু মনোবল ভাঙতে পারেনি। কারণ, গোটা অশোকনগর পাশে দাঁড়িয়েছিল ক্যানসার আক্রান্ত ছাত্রী পায়েল হালদারের। সকলের সহযোগিতায় দিন কয়েক আগেই পায়েলকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল মুম্বইয়ের হাসপাতালে। কথা বলতে না পারলেও ফেসবুকে তিনি লিখেছিলেন, “কথা দিচ্ছি, আমি জিতবই।” কিন্তু নাহ, জেতা হল না। মঙ্গলবার রাতে মৃত্যু হয় পায়েলের। আজ, বৃহস্পতিবার অশোকনগরে ফিরেছে পায়েলের দেহ। কান্নায় ভেঙে পড়েছে গোটা শহর। 

গত মার্চে, জন্মদিন উদযাপনে পায়েল হালদার। ছবি-ফেসবুক।

অশোকনগর কল্যাণগড় পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পায়েল হালদার। বাণীপীঠ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিলেন তিনি। জানা গিয়েছে, একাদশ শ্রেণিতে পড়ার সময়ই অসুস্থ হয়ে পড়েন পায়েল। তাঁর মুখ ফুলে যেতে শুরু করে। পরীক্ষা করলে ধরা পড়ে ‘র‍্যাবডোমায়োসারকোমা’ নামের এক বিরল মাংসপেশীর ক্যানসারে আক্রান্ত তিনি। চিকিৎসার পর অনেকটা সুস্থ হয়ে ওঠেন পায়েল। তারপর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষাও দেন তিনি। স্বপ্ন ছিল সাংবাদিক হওয়ার। তাই কল্যাণগড়ের নেতাজি শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন পায়েল। কিন্তু বেশিদিন ভালো থাকা হল না পায়েলের। 

Advertisement
অশোকনগরে পায়েলের দেহ।

 কয়েকমাস আগে ফের ফিরে আসে পুরনো রোগ। অল্প কয়েকদিনে তা মারাত্মক আকার নেয়। মুখমণ্ডল বিকৃত হয়ে যায়। চোখেও তার প্রভাব পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় নাকও। পরিস্থিতি যে জায়গায় পৌঁছয় তাতে কথা বলার ক্ষমতাও হারান পায়েল। তবে মনোবল কমেনি। মেসেজে একাধিক জনকে তিনি বলেছেন, “আমি বাঁচতে চাই।” তবে চিকিৎসার যা খরচ তা সামলানোর মতো পরিস্থিতি পরিবারের ছিল না। সোশাল মিডিয়া পায়েলের জীবনে আশীর্বাদ হয়ে ধরা দেয়। তাঁর পরিস্থিতির কথা জানতে পেরে বহু মানুষ তাঁকে আর্থিক সহায়তা করেন। অশোকনগরের রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে অনেকেই অর্থ সংগ্রহ করেছেন পায়েলের জন্য। সেই ভিডিও শেয়ার করে গত ৮ আগস্ট পায়েল লিখেছিলেন, “কথা দিচ্ছি, আমি জিতবই”। কিন্তু তা হল না। 

 

দিন কয়েক আগে পায়েলকে নিয়ে যাওয়া হয় মুম্বইয়ে। কিন্তু লাভ হল না। মঙ্গলবার রাতে মুম্বইয়েই মৃত্যু হয় পায়েলের। সকলের ভালোবেসে দেওয়া অর্থে বিমানে করে বৃহস্পতিবার কলকাতায় ফিরেছে পায়েলের নিথর দেহ। জানা গিয়েছে, পায়েলকে শ্রদ্ধা জানাতে তাঁর কলেজের তরফে একটি সেমিনারের আয়োজন করা হচ্ছে। পাশাপাশি একটি ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতাও হবে। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.