সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ব্রিটেনের রানীর মৃত্যুর দিনক্ষণ মিলিয়ে দিয়েছিলেন। এমনকী, রানী এলিজাবেথের (Queen Elizabeth) জন্মের কথাও লুকিয়ে ছিল তাঁর লেখা কবিতায়। এবার সেই নস্ত্রদামুসের বইয়ের পাতা মিলল ব্রিটেনের (Britain) রাজ সিংহাসন সংক্রান্ত ভবিষ্যদ্বাণী। যেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে, ব্রিটেন যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যতের সম্রাট প্রিন্স চার্লস নন। বরং অন্য কেউ। সেই উত্তরসূরির নামও উল্লেখ করা হয়েছে বইতে।
ফরাসি জ্যোতিষী নস্ত্রদামুসের (Nostradamus) ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে চর্চা করেন মারিও রিডিং। নস্ত্রদামুসের ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে ২০০৫ সালে মারিওর একটি বই প্রকাশিত হয়। নাম ছিল,’নস্ত্রদামুস: দ্য কমপ্লিট প্রফেসিস ফর দ্য ফিউচার।’ সেখানেই বলা হয়েছিল, কয়েক শো বছর আগে নস্ত্রদামুস রানীর মৃত্যুর বয়স এবং মৃত্যুর সময় বলে গিয়েছিলেন। দেখা যায় তা একেবারে হাতেনাতে মিলে গিয়েছে।
[আরও পড়ুন: ২০১৪ প্রাইমারি টেট: প্রায় ৪ হাজার শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগের নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের]
সেই বইতে ব্রিটেনের সিংহাসনের উত্তরসূরি কথাও বলা হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, তৃতীয় চার্লস ব্রিটেনের সিংহাসন ত্যাগ করবেন। আর সেই আসনে বসবেন হ্যারি। এ প্রসঙ্গে বলে রাখা দরকার, ২০২০ সালে প্রিন্স হ্যারি এবং তাঁর স্ত্রী মেগান মর্কেল রাজ পরিবার ত্যাগ করেন। বর্তমানে আমেরিকায় থাকছেন তাঁরা। মারিও রিডিং-এর দাবি, নস্ত্রদামুস বলেছিলেন, সাধারণ মানুষ চার্লসকে ক্ষমতাচ্যুত করবেন। সেই আসনে এমন একজন বসবেন যাঁকে নিয়ে কেউ ভাবেননি।
মারিওর বইতে লেখা হয়েছে, নস্ত্রদামুস নিজের কবিতার বই ১৫৫৫-এ রানীর মৃত্যুর কথা লিখেছিলেন। ২২ সালে ৯৬ বছরে মৃত্যু হবে তাঁর। মিলে গিয়েছে সেই ভবিষ্যদ্বাণী। ৮ সেপ্টম্বর স্কটল্যান্ডের বালমোরাল প্রাসাদে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর। মিলে গিয়েছিল জ্যোতিষীর দাবি। ব্রিটেনের উত্তরসূরি নিয়েও কি মিলবে জ্যোতিষীর গণনা? উত্তর রয়েছে কালের গর্ভে।
[আরও পড়ুন: প্রাথমিক টেটের দিনক্ষণ ঘোষণা করল পর্ষদ, ১১ হাজার শূন্যপদে হবে নিয়োগ]
সর্বশেষ খবর
-
‘পাতাল থেকে খুঁজে আনব’, বাগনানে দলীয় কর্মী খুনে কড়া শুভেন্দু
-
‘অন্ধজনে দেহো আলো…’, দৃষ্টিহীন ছেলেকে রোনাল্ডোর গোল ‘দেখালেন’ বাবা
-
ধর্মতলাতেই ‘শহিদ দিবস’ করতে চায় কালীঘাট তৃণমূল, চিঠি গেল কলকাতা পুলিশে
-
২০২১-এ শুভেন্দুর গাড়িতে হামলা! বারবনির ‘ত্রাস’ তৃণমূল নেতাকে কোমরে দড়ি পুলিশের, জুতো জনতার
-
জেনেভায় বিশ্বের বৃহত্তম পদার্থবিজ্ঞান গবেষণাগারের সামনে নটরাজ শিব, ধর্ম নয়, নেপথ্যে বিজ্ঞান!